English Version   
আজ রবিবার,২৫শে জুন, ২০১৭ ইং, ১১ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১লা শাওয়াল, ১৪৩৮ হিজরী

তদবির ছাড়া ব্যাংকে এখন কোনো নিয়োগ হয় না

এপ্রিল ২০, ২০১৭ ৮:৫৭ অপরাহ্ণ

 

শীর্ষ খবর:

তদবির ছাড়া ব্যাংকে এখন আর কোনো নিয়োগই হয় না। তদবিরের চাপে ব্যাংকে সঠিক নিয়োগ দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে অদক্ষ ও মেধাহীন লোক এ খাতে প্রবেশ করছে।

 

বৃহস্পতিবার রাজধানীর মিরপুরে বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম) আয়োজিত ‘ব্যাংকিং খাতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক কর্মশালায় ব্যাংকিংখাত সংশ্লিষ্টরা এসব কথা বলেন। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ, বর্তমান ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজি হাসান, বিআইবিএমের অধ্যাপক হেলাল আহমেদ চৌধুরীসহ আরো অনেকে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শীর্ষ কর্মকর্তাদের দুর্নীতি আর কর্মকর্তা নিয়োগে তদবির, এ দু’য়েই ব্যাংকিং খাত শেষ হচ্ছে। হলমার্ক, বিসমিল্লাহ, বেসিকসহ যতগুলো বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছে – এসব ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার ইচ্ছে থাকলেও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ তা করতে পারেনি।

 

ইব্রাহিম খালেদ বলেন, বেসিক ব্যাংক এক সময় সেরা ব্যাংক ছিল। কিন্তু দুর্নীতিবাজ শীর্ষ কর্মকর্তাদের কারণে মাত্র তিন বছরেই ব্যাংকটি শেষ হয়ে গেছে। বেসিক ও সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তাদের মতো দুর্নীতিপরায়ণ কাউকে নিয়োগ দিলে তারা ভালো ব্যাংককেও শেষ করে দেবে।

 

সরকারি ব্যাংকের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পয়সা চুরি করে সাধারণ মানুষের করের টাকা দিয়ে মূলধন ঘাটতি পূরণ করা হয়। অথচ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় না। ব্যাংকের লভ্যাংশ সবার মাঝে ভাগ করে দেয়া উচিৎ। তা না করে ব্যাংকের মালিকরা নিজেদের মধ্যে শেয়ার ভাগাভাগির জন্য অর্থমন্ত্রণালয়ের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। আগে যেখানে ৬ মাস ফাউন্ডেশন প্রশিক্ষণ দেয়া হতো, এখন সেটা ১৫ দিনে নামিয়ে আনা হয়েছে। কিন্তু ১৫ দিনে কোনো ফাউন্ডেশন কোর্স হতে পারে না। ব্যাংকিং খাতে কাগজে-কলমে নৈতিকতা থাকলেও বাস্তবে এর কোনো চর্চা নেই।

 

রাজী হাসান বলেন, অনভিজ্ঞ কর্মকর্তা নিয়োগের কারণে ব্যাংকিং খাতে সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে নতুন নতুন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। আগের তুলনায় এ খাতের পরিসর ও আকার বেড়েছে। কিন্তু দক্ষ কর্মকর্তার সংকট কাটেনি। প্রতি বছরই অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ উঠছে।

 

বিআইবিএমের অধ্যাপক হেলাল আহমেদ বলেন, ব্যাংকে অনেক লবিস্ট রয়েছে। এদের কারণে ব্যাংকে অনেক পদ সৃষ্টি করতে হয়, যা পুরোপুরি ইচ্ছার বিরুদ্ধে। সব ব্যাংকেই এসব লবিস্ট গোষ্ঠী থাকে। তারা লবিং করে নিয়োগ পেতে চায়। বিভিন্ন পরিচালকের সুপারিশে তারা আসেন।

Print Friendly
 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1072 বার
 
শীর্ষ খবর/আ আ

 

ফেইসবুক লাইকবক্স

 
 
 
 
 
 

সম্পাদকীয়

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

ক্যালেন্ডার

 
 
 

জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:


কপিরাইট ©২০১০-২০১৬ সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত শীর্ষ খবর ডটকম

প্রধান সম্পাদক : ডাঃ আব্দুল আজিজ
পরিচালক বৃন্দ: সামছু মিয়া

ফোন নাম্বার: +447536574441
ই-মেইল: info.skhobor@gmail.com
ই-মেইল: info@sylheteralap.com