English Version   
আজ শনিবার,১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং, ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

আজকে

  • ২রা পৌষ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ১৬ই ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
  • ২৭শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 

শীর্ষখবর ডটকম

কালীগঞ্জে স্কুল ছাত্রী সুমীর মৃত্যু রহস্য কি? হত্যা না কি আত্মহত্যা

Pub: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০১৭ ৪:০০ পূর্বাহ্ণ   |   Modi: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০১৭ ৪:০০ পূর্বাহ্ণ
 
 

শীর্ষ খবর

মোঃ ইউনুস আলী, লালম‌নিরহাট প্র‌তি‌নি‌ধি:
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কে ইউ পি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী সুমী বেগমের মৃত্যু রহস্য কি? এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এর উত্তর মেলেনি কালীগঞ্জ উপজেলাবাসীর। আসলেই কি সুমী আত্মহত্যা করেছিল না কি তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছিল! এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। সুমীর মৃত্যু রহস্য উৎঘাটনে সহযোগীতা চেয়ে প্রেসক্লাবসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
প্রাপ্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানাযায়, কালীগঞ্জ হাসপাতাল সংলগ্ন ঔষধ ব্যবসায়ী জনৈক ফজলু মিয়ার বাসাবাড়ি ভাড়া নিয়ে স্বপরিবারে বসবাস করে আসছিলেন সুমীর বাবা দক্ষিন মুসরত মদাতী গ্রামের বাসিন্দা দুলাল হোসেন। এরই এক পর্যায়ে কালীগঞ্জ হাসপাতাল এলাকার দুলাল নামের এক ছেলের সাথে সুমীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বিষয়টি সুমীর বাবা জানতে পারলে গত ২৩অক্টোবর ২০১৬ইং তারিখে তার বাবা ও সুমীর বড় চাচা লাভলু মিয়া সুমীর মুখে কাপড় গুজে দিয়ে বেদম মারপিট করে। এক পর্যায়ে তার বাবা ও বড় চাচা লাভলু মিয়া সুমীকে বলে তুই গলায় ফাঁস দিয়ে মরিস না কেন? অপমান এবং আঘাতের ব্যথা যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে ওই দিনেই সুমী বেগম তাদের ভাড়া বাসার বাথরুমে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পেরে তড়িঘড়ি করে লাশ নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশ দেখে বুঝতে পারে যে, সুমীর মৃত্যু অনেক আগেই হয়েছে। তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লাশ নিয়ে তাদের বাড়ি যেতে বলে। পরে তারা সুমীর লাশ আবার বাসায় নিয়ে আসে এবং থানা পুলিশকে অবগত না করে লাশ নিয়ে দ্রুত গ্রামের বাড়ি দক্ষিন মুসরত মদাতী গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করে।
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ হাসপাতালের আরএমও ডাঃ আহসান হাবিব বলেন, ওইদিন তারা (সুমীর বাবা ও বড় চাচা লাভলু মিয়া) সুমীর লাশ নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল। হাসপাতালে এন্ট্রিও হয়। পরে তারা লাশ নিয়ে চলে যায়। থানা পুলিশকে কেন অবগত করা হলো না? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হাসপাতালের পক্ষ থেকে থানায় জানানো হয়েছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে থানা পুলিশ হাসপাতালে আসেনি।
সুমীর বড় চাচা লাভলু মিয়া সুমীকে পিটানো এবং আত্মহত্যা করার প্ররোচনার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ করায় লজ্জায় সুমী আত্মহত্যা করেছে। একটি কুচক্রি মহল তাদের হয়রানী করার জন্য এরকম কথা বলছে। কিন্তু লাশ দাফন করার আগে থানা পুলিশকে কেন জানানো হলো না, এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি।
নাম প্রকাশ না করার সর্তে কালীগঞ্জ হাসপাতাল এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানায়, হত্যার বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্যেই পুলিশকে অবগত না করে তড়িঘড়র করে লাশের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। কালীগঞ্জবাসী এই ঘটনার প্রকৃত সত্য জানতে চায়।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন জানান, ওই সময় এই থানায় আমি কর্মরত ছিলাম না। আসলে ব্যাপারটি কি ঘটেছিল তাই পরিস্কার করে বলা যাচ্ছে না। তাছাড়া আত্মহত্যার কোন ঘটনা থানা অবগত হলে অবশ্যই থানায় ইউডি মামলা এবং ময়না তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরই লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email
 
 

শীর্ষ খবর/আ আ

 
 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1034 বার
 
 

সর্বশেষ সংবাদ

 
 

সর্বাধিক পঠিত

 
 
 
 

জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:


কপিরাইট ©২০১০-২০১৬ সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত শীর্ষ খবর ডটকম

প্রধান সম্পাদক : ডাঃ আব্দুল আজিজ

পরিচালক বৃন্দ: সামছু মিয়া,
মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ফোন নাম্বার: +447536574441
ই-মেইল: info.skhobor@gmail.com