হাটহাজারীতে শৈত্য প্রবাহে বিপাকে মানুষ

Pub: শুক্রবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৮ ১১:৩১ অপরাহ্ণ   |   Upd: শুক্রবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৮ ১১:৩১ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোহাম্মদ হোসেন,হাটহাজারী,
শীতে কাঁপছে উত্তর চট্টগ্রামের জনপদ।কয়েক দিনের শীতে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে।শৈত্য প্রবাহে ঘন কুয়াশা ও প্রচন্ড ঠান্ডায় নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। শীত জনিত বিভিন্ন রোগ-বালাই দেখা দিয়েছে । হাটহাজারী,ফটিকছড়ি ও রাউজান উপজেলায় শৈত্য প্রবাহে মানুষ ঘর থেকে বের হতে পাচ্ছেনা। সকালে প্রচন্ড কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারদিক। দিনের মাঝামাঝি সময় সূর্যের দেখা মিললেও কমছে না শীতের তীব্রতা। সেই সাথে ৩ দিন ধরে বইছে শৈত্য প্রবাহ। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না মানুষ। শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। আর শীতে নাকাল হয়ে পড়েছে বিভিন্ন বয়সের মানুষ। তীব্র শীতে সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে ছিন্নমুল ও নিম্ন আয়ের মানুষ। আর বিপাকে পড়েছে দৈনন্দিন খেটে খাওয়া কর্মজীবীরা। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে ১০ ফুট দুরেও কোন কিছু দেখা যাচ্ছেনা। সড়কে যানবাহন হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। এর পরেও বাড়ছে দুর্ঘটনা। শীতবস্ত্রের আশায় গরিব ছিন্নমূল মানুষ চেয়ে আছে। এদিকে প্রচন্ড শীতের কারণে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন শীত জনিত রোগ বালাই। হাসপাতালে বেড়েছে নিউমোনিয়া, ডায়েরিয়া, আমাশয়, ঘাঁপানি পেটের পীড়াসহ বিভিন্ন রোগীর সংখ্যা।

হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রসুতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাঃ হাছিনা আকতার জানান, কয়েক দিনের ঠান্ডায় শিশুরোগ বৃদ্ধি পেয়েছে তাই এই শীতে শিশুদের গরম কাপড় দিয়ে মুড়িয়ে রাখার এবং শিশুকে যাতে শীত না লাগে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।

হাটহাজারী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বী’র সাথে মোঠো ফোনে কথা হলে তিনি জানান,গত কয়েক দিনে হাসপাতালে শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে বহু শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে যাদের মধ্যে সব চেয়ে বেশি ডাইরিয়া ও নিউমোনিয়া রোগ আর বয়সকা আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়া ও স্বাশকস্ট জনিত রোগে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি বলে জানান। শিশুদের প্রতি অভিভাবকদের বিশেষ করে মায়েদের এই সময়টা অনেক বেশি যতœশীল হওয়ার পরামর্শ দেন।


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1150 বার