English Version   
আজ শনিবার,২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৩রা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

আজকে

  • ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
  • ৩রা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 

শীর্ষখবর ডটকম

ছাগলের দাম ৭০ হাজার টাকা!

Pub: বুধবার, আগস্ট ১৬, ২০১৭ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ   |   Modi: বুধবার, আগস্ট ১৬, ২০১৭ ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ
 
 

শীর্ষ খবর

যশোর প্রতিনিধি:
এবারের ঈদ বাজারে আতাউর রহমান পলাশ তার পোষা ছাগলটির দাম চাইবেন ৭০ হাজার টাকা। মাস দুয়েক আগে স্থানীয় এক ব্যাপারী অস্ট্রেলিয়ান জাতের এই ছাগলটি ৬০ হাজার টাকা দাম বলে গেছেন। কিন্তু সামনে কোরবানি ঈদে দাম বেশি পাবেন বলে তা বিক্রি করেননি পলাশ।

মুদি ব্যবসায়ী পলাশ যশোরের মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউনিয়নের চিনেটোলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম বাশিয়ার রহমান। স্থানীয় নাগোরঘোপ মোড়ে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে রেখেই তিনি ছাগলটি পুষছেন। এছাড়া তার রয়েছে ৪৫ জোড়া কবুতর। দোকানের আয়ের পাশাপাশি এই খাত থেকে তিনি বাড়তি আয় করে থাকেন।

পলাশ জানান, ১৫-২০ বছর আগে ঝিনাইদহের মহেশপুরে নানার বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে মণিরামপুরের নাগোরঘোপ এলাকার আব্দুল হামিদ নামে এক ব্যক্তি চাকরি করতেন। চাকরির পাশাপাশি তিনি দুটি ছাগল পুষেছিলেন। তার মধ্যে একটি ছাগল জবাই করে তিন মণ ২০ কেজি মাংস পান। সেখান থেকে তার ছাগল পালনের ইচ্ছা। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বড়ভাই মাহাবুর রহমানের শ্বশুর যশোরের চৌগাছার সোহরাব হোসেনের কাছ থেকে আড়াই বছর আগে সাড়ে আট হাজার টাকায় দেড় মাস বয়সী একটি ছাগল কেনেন। তিনি এর বর্তমান বাজার দর চাইছেন ৭০ হাজার টাকা।

পলাশ বলেন, ধানের বিচলির (খড়) সঙ্গে খৈল ও ভুষি মিশিয়ে এবং গাছের পাতা খাইয়ে ছাগলটি এতো বড় করেছি। আট মাস আগে একবার ছাগলটির শরীরের পেছনের অংশ অবশ হয়ে যায়। পরে কেশবপুর পশু হাসপাতালে নিলে ডাক্তাররা বোর্ড বসিয়ে ছাগলের চিকিৎসা দেন। সেই সময় সাড়ে চার হাজার টাকা খরচ করা হয়। ১৫ দিন পরে ছাগলটি সুস্থ হয়ে ওঠে।

পলাশ আরও বলেন, দুই মাস আগে একবার এক ব্যাপারী আমার ছাগলটি ৬০ হাজার টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি তা করিনি। এবারের ঈদে ছাগলটি বিক্রি করবো। সেই ক্ষেত্রে ৭০-৮০ হাজার টাকা দাম চাইবো। স্থানীয় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না হলে ছাগল নিয়ে চট্টগ্রামের হাটে যাবেন বলে জানান তিনি।

পলাশ বলেন, গত ২২ দিন ধরে বাড়িতে হাঁটুপানি। ছাগল রাখার ঘরেও পানি উঠেছিল। পানির কারণে ছাগল বের করতে পারছি না। ছাগলটি অসুস্থ না হতো আর চারদিকে বৃষ্টির পানি না উঠতো তাহলে তার ছাগলের দাম এক লাখের ওপর হতো বলে তিনি মনে করেন।

পলাশ বলেন, এই ছাগল বিক্রি করে দিয়ে আরেকটা পুষবো বলে দেড়মাস আগে আট হাজার টাকা দিয়ে আরেকটি ছাগল কিনেছি। তাছাড়া আমার দেশি জাতের কবুতর রয়েছে। যেখান থেকে প্রতিমাসে ৫-৬ হাজার টাকা বাড়তি আয় হয়।

মণিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুজার ছিদ্দিক বলেন, উপজেলায় কেউ এত বড় ছাগল পালন করে, তা আমার জানা নেই।

Print Friendly, PDF & Email
 
 

শীর্ষ খবর/আ আ

 
 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1299 বার
 
 

সর্বশেষ সংবাদ

 
 

সর্বাধিক পঠিত

 
 
 
 

জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:


কপিরাইট ©২০১০-২০১৬ সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত শীর্ষ খবর ডটকম

প্রধান সম্পাদক : ডাঃ আব্দুল আজিজ

পরিচালক বৃন্দ: সামছু মিয়া,
মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ফোন নাম্বার: +447536574441
ই-মেইল: info.skhobor@gmail.com