English Version   
আজ শনিবার,২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৩রা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

আজকে

  • ৮ই আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং
  • ৩রা মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 

শীর্ষখবর ডটকম

ভারতে বন্যা: বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে শত শত ভারতীয়

Pub: বুধবার, আগস্ট ১৬, ২০১৭ ৬:৪০ অপরাহ্ণ   |   Modi: বুধবার, আগস্ট ১৬, ২০১৭ ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
 
 

শীর্ষ খবর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়া কয়েকশ মানুষ এখন বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।
কোচবিহার জেলার অন্তত দুটি এলাকা থেকে বহু মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে ওপারে গেছেন বলে জানিয়েছেন ওই এলাকার থেকে নির্বাচিত পশ্চিমবঙ্গের এক মন্ত্রী।
বাংলাদেশের লালমনিরহাট থেকে বিজিবির একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী ভারতীয় গ্রামগুলো থেকে বন্যাক্রান্ত হয়ে ৫ থেকে ৬শ লোক এসেছিল।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোরশেদ বিবিসি বাংলাকে বলেন, যেহেতু তারা বিপদে পড়ে এসেছে, মানবিক কারণেই তাদেরকে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়নি। তারা এখানে এসে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ঘর-বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল।

 

তিনি বলেন, সীমান্তের ওই এলাকাটি একটু অদ্ভুত। সীমান্তে বাংলাদেশের দুটি গ্রাম মোগলহাটা ও দুর্গাপুরের মধ্যবর্তী জায়গায় রয়েছে তিনটি ভারতীয় গ্রাম, যেগুলো ধরলা নদী দ্বারা ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন এবং বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত। সীমান্তে কাঁটাতারও নেই সেখানে। ফলে বন্যাপ্লাবিত হওয়ার পর তারা আর ধরলা পাড়ি দিয়ে ভারতে যেতে পারেনি, তাই বাংলাদেশে চলে এসেছে।
ভারত থেকেও একই রকম তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ভারতীয় অংশের দিনহাটা মহকুমার জারিধরলা আর দরিবস গ্রামগুলি থেকে এবং তুফানগঞ্জ এলাকার চরবালাভূত এলাকার বন্যাদুর্গত মানুষদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি সেখানকার নদীগুলিতে প্রবল স্রোতের কারণে।

 

নদীতে গত কয়েকদিনের বন্যার কারণে ব্যাপক স্রোত বইছে।
ফলে বাংলাদেশের সীমান্ত লাগোয়া সেই জারিধরলা ও দরিবস গ্রাম পুরোটাই প্রায় ডুবে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের সামিদুল হক ও তার পরিবার লালমনিরহাট সদর উপজেলার এক গ্রামে এক পরিচিতর বাড়িতে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, সাথে নিয়ে এসেছেন তার প্রিয় গবাদি পশুগুলোও।ছবির কপিরাইটমোয়াজ্জেম হোসেন, লালমনিরহাট

পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের সামিদুল হক ও তার পরিবার লালমনিরহাট সদর উপজেলার এক গ্রামে এক পরিচিতর বাড়িতে এসে আশ্রয় নিয়েছেন, সাথে নিয়ে এসেছেন তার প্রিয় গবাদি পশুগুলোও।
কোচবিহার থেকেই নির্বাচিত রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলছেন, “জারিধরলা আর দরিবস এলাকায় প্রায় হাজার ছয়েক মানুষ থাকেন। নদীতে এমন স্রোত, যে এত লোককে উদ্ধার করে নিয়ে আসা অসম্ভব। ত্রাণও পৌঁছনো যাচ্ছে না। সেজন্যই ওরা বাংলাদেশের দিকে চলে গেছে বলে জানতে পেরেছি।”
তিনি আরও জানান যে তুফানগঞ্জ এলাকার চরবালাভূতেরও একই অবস্থা। হাজার চারেক মানুষ সেখানে জলবন্দী হয়ে আছেন। তবে ঠিক কত জন সেখান থেকে বাংলাদেশের দিকে গেছেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জারিধরলা আর দরিবস এলাকার মানুষ বাংলাদেশের মোগলহাটে বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
“আমরা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ যে আমাদের নাগরিকদের বিপদের দিনে তারা ত্রাণ দিয়ে সাহায্য করছেন,” বিবিসি বাংলাকে বলেন মন্ত্রী মি. ঘোষ।
তবে বিএসএফের সূত্রগুলি বলছে, ভারত থেকে বাংলাদেশের দিকে চলে গেছেন বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ, এমন তথ্য বিজিবি তাদের জানায়নি এখনও।
মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ অবশ্য বলছিলেন, আগেও বন্যার সময়ে ওই এলাকার মানুষ বাংলাদেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন।

“ওই অঞ্চলের মানুষকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি যে নদীর এপারে খাস জমি দিচ্ছি, সেখানে বসবাস করুন। ছাত্রছাত্রীদের হোস্টেল করে দিচ্ছি, সেখানে থেকে তারা পড়াশোনা করুক। তবে খুবই উর্বর জমিতে তারা কলা চাষ করেন। সেজন্যই নদীর এদিকে আসতে রাজী নন তাঁরা কেউ,” বলছিলেন মি. ঘোষ।
তবে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, বন্যার জল কিছুটা হলেও কমতে শুরু করেছে। তাই যারা বাংলাদেশের দিকে চলে গিয়েছিলেন, এমন কিছু মানুষ আবারও ফিরতে শুরু করেছেন।
বাংলাদেশে বিজিবির লে. ক. মোরশেদও বলছেন, যারা আশ্রয় নিতে এসেছিল, তাদের বেশীরভাগই ভারতে ফিরে গেছেন।
এখন ওই এলাকায় বড়োজোর ৫০-৬০টি ভারতীয় পরিবার রয়ে গেছে। বিবিসি

Print Friendly, PDF & Email
 
 

শীর্ষ খবর/আ আ

 
 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1078 বার
 
 

সর্বশেষ সংবাদ

 
 

সর্বাধিক পঠিত

 
 
 
 

জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:


কপিরাইট ©২০১০-২০১৬ সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত শীর্ষ খবর ডটকম

প্রধান সম্পাদক : ডাঃ আব্দুল আজিজ

পরিচালক বৃন্দ: সামছু মিয়া,
মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ফোন নাম্বার: +447536574441
ই-মেইল: info.skhobor@gmail.com