আজকে

  • ২রা শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ১৭ই জুলাই, ২০১৮ ইং
  • ৩রা জিলক্বদ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

আড়াই কেজি কাঁঠালের দাম ১০ লাখ!

Pub: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০১৭ ৪:১২ পূর্বাহ্ণ   |   Upd: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৭, ২০১৭ ৪:১২ পূর্বাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

ফলের জগতে কোনও দিনই কুলীন হয়ে উঠতে পারেনি কাঁঠাল। একে তো ‘দুর্গন্ধ’। একবার খেলে মুখ থেকে গন্ধ যায় না। গা যেন গুলিয়ে ওঠে! অনেকের হজমেরও সমস্যা। গোটা কাঁঠাল খাওয়ার ঘটনা গল্প–উপন্যাসেই পাওয়া যায়। আম বাঙালি কাঁঠাল থেকে শত হস্ত দূরে। তাই চালু প্রবাদও রয়েছে— অন্যের মাথায় কাঁঠাল ভাঙা। বা, এ পাড়ে কাঁঠাল ভাঙল/ ও পাড়ে গন্ধ গেল–র মতো নেতিবাচক কথা। কর্নাটকের এক চাষীর গল্প শুনলে অবশ্য কাঁঠাল নিয়ে উন্নসিকতা কাটবে বইকি!

কর্নাটকের টুমাকুরু জেলার ছিল্লুর গ্রামে এসএস পরমেশার বাগানে একটি কাঁঠাল গাছ রয়েছে। সাধারণ কাঁঠালের গড় ওজন যেখানে ১০ থেকে ২০ কিলো হয়, পরমেশারের বাগানের এই কাঁঠালের ওজন মেরেকেটে আড়াই কিলো হবে। ছোট কাঁঠাল, তাই বিক্রি না করে বন্ধু–বান্ধব–আত্মীয়দের উপহার দেন তিনি। নির্দিষ্ট সময়ে তাঁরা কাঁঠাল চেয়ে আবদারও করেন। খুশি মনে সে আবদার মেটান পরমেশা।

আর সেই আবদারের কাঁঠালই তাঁকে বছরে ১০ লক্ষ টাকা উপার্জনের সুযোগ করে দিল। সম্প্রতি পরমেশার সঙ্গে ভারতীয় উদ্যানপালন গবেষণা সংস্থা (আইআইএইচআর) মউ স্বাক্ষর করেছে। তিনি ওই বিশেষ জাতের কাঁঠালের চারা তৈরি করবেন। আর সেই কাঁঠাল চারা নিজেদের ব্রান্ডে বিক্রি করবে আইআইএইচআর। বিক্রি বাবদ অর্থের ৭৫ শতাংশ পাবেন পরমেশা। ইতিমধ্যে ১০ হাজার কাঁঠাল চারার বরাত পেয়েছে আইআইএইচআর। ৩৫ বছর আগে পরমেশার বাবা এসকে সিদ্দাপ্পা এই কাঁঠাল গাছ বসিয়েছিলেন। সেই কাঁঠাল গাছের সূত্রেই ভাগ্য খুলে গেল পরমেশার।

কী রয়েছে এই কাঁঠালে? 
তামার রং–য়ের কাঁঠালের কোয়াগুলো অনেক বেশি পুষ্ঠিকর এবং সহজপাচ্য। তাই সাধারণ কাঁঠালের থেকে বেশি দামে বিক্রি করা যাবে এই কাঁঠাল।

টুমাকুরুকে এই বিশেষ প্রজাতির কাঁঠালের ‘অভিভাবক’ ঘোষণা করা হয়েছে।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1108 বার

 
 
 
 
ডিসেম্বর ২০১৭
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« নভেম্বর   জানুয়ারি »
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com