English Version   
আজ বুধবার,২৪শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

আজকে

  • ১১ই মাঘ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
  • ২৪শে জানুয়ারি, ২০১৮ ইং
  • ৬ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

 

শীর্ষখবর ডটকম

আ’লীগে দারা, বিএনপিতে নাদিমই ভরসা তৃণমূলের

Pub: শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ ১:১১ পূর্বাহ্ণ   |   Modi: শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০১৮ ১:১২ পূর্বাহ্ণ
 
 

শীর্ষ খবর

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর)

রাজশাহীর পুঠিয়া-দুর্গাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সংদীয় আসন রাজশাহী-৫। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে এ আসনটি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দলের দখলে থেকেছে। কখনো জাতীয় পার্টি, কখনো আওয়ামী লীগ, আবার কখনো বিএনপির দখলে। এর মধ্যে ‘৯১ থেকে ‘৯৬ সাল পর্যন্ত্ম এখানে এমপি ছিলেন আওয়ামী লীগের। আর ‘৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত্ম বিএনপির দখলে ছিল এ আসনটি। তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসনটি ফের দখলে আসে আওয়ামী লীগের। দলের মনোনয়নে সাংসদ নির্বাচিত হন শিল্পপতি কাজী আব্দুল ওয়াদুদ দারা। ২০১৪ সালের নির্বাচনেও বিনাভোটে এমপি নির্বাচিত হন তিনি।
এ আসনে এবার আওয়ামী লীগ ও বিএনপির অন্ত্মত ডজনখানেক নেতা মনোনয়ন পাওয়ার আশায় মাঠে নেমেছেন। এর মধ্যে কেউ নবীন আবার কেউ প্রবীণ। সম্ভাব্য এ প্রার্থীরা এখন সুযোগ পেলেই এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। করছেন গণসংযোগসহ মতবিনিময়। এলাকার রাস্ত্মা-ঘাট এবং বিভিন্ন বাজারসহ মোড়গুলোতে ছেয়ে দেয়া হয়েছে নেতাদের শুভেচ্ছা ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে। ফলে বড় দুই দলের নেতায় নেতায় দ্বন্দ্বে দিশেহারা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের দুইবারের নির্বাচিত সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা ও বিএনপির দুইবারের নির্বাচিত সাবেক সাংসদ নাদিম মোস্ত্মফা। বর্তমানে এই দুই নেতার বিরম্নদ্ধে এবার শক্ত অবস্থান নিয়েছে। উভয় দলের একটি বড় অংশের নেতাকর্মীরা। তার পরও উভয় দলের তৃণমূল ভোটারদের বড় একটি অংশ আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংসদ দারা ও বিএনপির সাবেক সাংসদ নাদিম মোস্ত্মাফার প্রতিই আস্থা রাখছেন।

আওয়ামী লীগ: পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা আবারো এ আসনে মনোনয়ন চাইবেন। তিনি ছাড়াও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের আরও চার নেতা। যারা এখন ভোটের মাঠে রয়েছেন।
দলীয় একাধিক সূত্রমতে, পুঠিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা দ্বিতীয়বার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে দলের মধ্যে বিভেদ প্রকাশ্যে রূপ নেয়। এর ফলে বিগত পৌরসভাসহ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী অংশ নেন। এ অবস্থায় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দলের কোন্দল আবার মাথাচাড়া দিয়েছে।
দলীয় সূত্র মতে, আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে এবার মাঠে নেমে পড়েছেন এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা ছাড়াও সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য তাজুল ইসলাম মোহাম্মদ ফারম্নক, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের জেলা সভাপতি অধ্যাপক মুনসুর রহমান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ।
তবে তদের মধ্যে এখনো এমপি দারার অবস্থানই মাঠ পর্যায়ে শক্তিশালী বলে দাবি করেছেন দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। সময় পেলেই তিনি ছুটে যাচ্ছেন এলাকায়। নির্বাচন কেন্দ্রীক নানা উন্নয়নমূলক কর্মকা-সহ সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন তিনি। অন্য প্রার্থীদের চেয়ে নির্বাচনী মনোনয়ন দৌড়ে এখনো তিনিই এগিয়ে আছেন বলে তৃণমূল ভোটারদের অভিমত।
জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহসানুল হক মাসুদ বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতি করে আসছি। এখন পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষও আমার পাশে আছে। এই অবস্থায় দল আমাকে মনোয়ন দিলে আমি নির্বাচনে জয়ী হব বলে বিশ্বাস করি’।
জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল মজিদ বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেছি জীবন বাজি রেখে। এই রাজনীতি করতে গিয়ে আমাকে মৃতু্যর মুখ থেকে ঘুরে আসতে হয়েছে। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পার করেও কখনো আওয়ামী লীগের রাজনীতি ছাড়িনি। ফলে দুইবার ইউনিয়ন পরিষদ ও একবার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি বিপুল ভোটে। এবার পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মানুষের মাঝে আরও বৃহৎকারে সেবা করার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নেমেছি। জনগণের পাশে থেকে দলকে গুছিয়ে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। আশা করছি, দল আমাকে এবার মনোনয়ন দিবে।’
তাজুল ইসলাম ফারম্নক বলেন, ‘দল যাকে মনোনয়ন দিবে তার হয়েই আমরা কাজ করব। তবে বর্তমান এমপি দারার কারণে পুঠিয়া-দুর্গাপুরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দ্বিধা-বিভক্ত। এটির অবসান হওয়ার দরকার। তাই সাধারণ মানুষ নতুন নেতৃত্ব চায়। তৃণমূলের নেতাদের চাওয়া থেকে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন চাইব।’
জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক মনুসর রহমান বলেন, ‘আমি গতবারেও মনোনয়ন চেয়েছিলাম। আগামীতেও চাইব। দীর্ঘদিন ধরেই পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মানুষের সঙ্গে আছি। ছাত্রজীবনেও ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। কর্মজীবনে থেকেও আওয়ামী লীগের রাজনীতিই করে গেছি। সেই হিসেবে আমি একজন পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ। কাজেই আগামী নির্বাচনে দল আমাকে মূল্যায়ন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
সাংসদ আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। এখানে অনেক নেতা আছেন। সবাই যে যার মতো করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন- এটাই স্বাভাবিক। তবে নির্বাচনের সময় আসলে অনেকেই পরিচিত হওয়ার জন্য মনোনয়ন চাওয়ার ঘোষণা দিয়ে থাকেন। তবে যাদের দলে অবস্থান নেই, তারাই বিভেদ সৃষ্টি করছেন। এবং সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্ত্মির সৃষ্টি করছেন।
সাংসদ দারা আরও বলেন, ‘আমি সব সময় মানুষের পাশে থেকে রাজনীতি করে গেছি। সাধারণ মানুষ এবং দলের তৃণমূলের নেতার্কীরাই আমার প্রাণশক্তি। এদের নিয়েই আমি রাজনীতি করি। আমার বাবাও ছিলেন পুঠিয়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। কাজেই আমাদের নাড়ীতেই রয়েছে রাজনীতি। আমরা জনগণের মূল্যায়ন করি। তাদের চাওয়া-পাওয়ার মূল্যায়নই বড় কথা। ফলে শুধু নির্বাচনকেন্দ্রিক নয়, আমি কাজ করে যাচ্ছি দলের জন্য, সাধারণ মানুষের জন্য। এটি পুঠিয়া-দুর্গাপুরের মানুষ জানে। সুতরাং সার্বিক দিক বিবেচনা করে আগামীতেও দল আমাকেই মনোনয়ন দেবে’।
বিএনপি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে এবার বিএনপির মনোনয়ন চাইবেন বিএনপির অন্ত্মত হাফ ডজন নেতা। বিএনপি আগামী সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে কি না তা এখনো চূড়ান্ত্ম না হলেও হাইকমান্ডের নির্দেশে ভোটের মাঠে নেমেছেন মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেকেই। বিশেষ করে নিজের পক্ষে সমর্থন পেতে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে। তবে এবার ক্লিন ইমেজের নেতা চান বিএনপির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
‘৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত্ম এ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নাদিম মোস্ত্মফা। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পরে এলাকা ছাড়েন তিনি। ফলে ২০০৮ সালের নির্বাচনে নাদিমের স্থলে মনোনয়ন দেয়া হয়, পুঠিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নজরম্নল ইসলাম ম-লকে। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে নজরম্নল ইসলাম পরাজিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও নাদিম মোস্ত্মফা ও নজরম্নল ইসলাম ম-ল দলের মনোনয়ন চাইবেন।
তারা দুইজন ছাড়াও রাজশাহী-৫ আসনে এবার মনোনয়ন চাইবেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা আবু বকর সিদ্দিক, দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম সাকলাইন, পুঠিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জুম্মা ও দুর্গাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র সাইদুর রহমান মন্টু।
স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্রমতে, এক সময় রাজশাহীর প্রভাবশালী ও পুঠিয়া-দুর্গাপুরে ব্যাপক জনপ্রিয় নেতা ছিলেন সাবেক এমপি নাদিম মোস্ত্মফা। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কাল থেকে তিনি এলাকা ছাড়া। ফলে নাদিম মোস্ত্মফার অবর্তমানে দলের প্রার্থী করার মতো তেমন কোনো নেতাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না ২০০৮ সালের নির্বাচনে। এরই মধ্যে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নজরম্নল ইসলাম ম-লকে মনোনয়ন দেয় বিএনপি। কিন্তু তিনি সেই নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তবে গত ১০ বছর ধরে নাদিম মোস্ত্মফা আর এলাকায় ঢুকতে পারেননি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ সংসদীয় আসনের তৃণমূল বিএনপির একাধিক নেতা দাবি করেন, এবার নতুন মুখ না এলে নির্বাচনে জয় পাওয়া বিএনপির জন্য কঠিন হবে। কারণ দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে একাধিকভাবে বিভক্ত তৃণমূলের নেতাকর্মীদের এক জায়গায় করা নাদিম মোস্ত্মফা ও নজরম্নল ইসলামের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।
সূত্রমতে, গত নভেম্বরে রাজশাহী-৫ সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আবু বকর সিদ্দিক, গোলাম সাকলাইন ও আনোয়ার হোসেন জুম্মাসহ স্থানীয় বিএনপির ১০/১২ জন নেতা দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তারা নাদিম মোস্ত্মফাকে বাদ দিয়ে এ আসনে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সাবেক ছাত্র নেতা আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনে এ আসন থেকে তিনি মনোনয়ন চেয়েছিলেন। সে সময় দলের হাইকমান্ড পরবর্তী নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার আশ্বাস দিয়ে রাজনীতির মাঠে থাকবে বলেন। তখন থেকে তিনি পুঠিয়া-দুর্গাপুরের রাজনীতির মাঠে রয়েছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে দলের নেতাকর্মীদের এক জায়গার করার চেষ্টা করছেন। এতে নেতাকর্মীদের ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন বলে জানান তিনি।
দুর্গাপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান মন্টু বলেন, যেসব প্রার্থী মাঠে নেমেছেন, তাদের মধ্যে তরম্নণ নেতারা এলাকায় বেশ আলোচনার ঝড় তুলেছেন সাধারণ ভোটারদের মাঝে। তিনি নিজেও এরই মধ্যে পুঠিয়া-দুর্গাপুরের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আগামীতে বিএনপিকে একজোট করতে এখানে নতুন মুখের কোনো বিকল্প নেই।
দুর্গাপুর উপজেলা বিএনপির সহ সভাপতি গোলাম সাকলাইন বলেন, দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার গভীর সম্পর্ক। তিনি ছাত্র অবস্থায় থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করলেও পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং কৃষক। তাই সাধারণ মানুষ নিয়েই তার পথচলা। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে তিনি দেশের জন্য, সমাজের জন্য রাজনীতি করেন। দলের নেতাকর্মীরাও তাকে কাছে টেনে নেন খুব সহজেই। দেলুয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ছিলেন। এ কারণে আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিলে নির্বাচনে ভালো করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির এই নেতা।
এ আসনের আরেক প্রার্থী বিএনপি নেতা নজরম্নল ইসলাম ম-ল বলেন, বিগত ২০০৮ সালে যখন সবাই পলাতক ছিলেন, তখন তিনি নেতাকর্মীদের পাশে থেকে নির্বাচন করেছেন। তবে সামান্য ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন। সেই থেকে জনগণের সঙ্গেই আছেন। এবারো দল তার প্রতি আস্থা রাখবে বলে বিশ্বাস করেন।
সাবেক এমপি নাদিম মোস্ত্মফা বলেন, তিনি এ আসন থেকে পরপর দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ আসনটিকে তিনি পুনর্রম্নদ্ধার করেছিলেন। পুঠিয়া-দুর্গাপুরবাসীর জন্য যা করে দিয়েছেন তা আগামী ১০০ বছরেও অন্য কোনো এমপি করতে পারবেন না। কারণ তিনি রাজনীতি করেছেন সাধারণ মানুষকে নিয়ে। সাধারণ মানুষই হচ্ছে তার শক্তি। তাদের চাওয়া-পাওয়ার মূল্যায়ন করেছেন সব সময়ের জন্য। আগামীতেও তাদের জন্যই রাজনীতি করতে চান। এই অবস্থায় দল তাকে মনোনয়ন দেবে বলে তিনি আশাবাদী এবং নির্বাচিত হয়ে পুঠিয়া-দুর্গাপুরের অসমাপ্ত কাজগুলো করতে চান।

Print Friendly, PDF & Email
 
 

শীর্ষ খবর/আ আ

 
 
সংবাদটি পড়া হয়েছে 1037 বার
 
 
 
 
 
 

জনপ্রিয় বিষয় সমূহ:


কপিরাইট ©২০১০-২০১৬ সকল সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত শীর্ষ খবর ডটকম

প্রধান সম্পাদক : ডাঃ আব্দুল আজিজ

পরিচালক বৃন্দ: আবদুল আহাদ, সামছু মিয়া,
মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ফোন নাম্বার: +447536574441
ই-মেইল: info.skhobor@gmail.com