আজকে

  • ৭ই শ্রাবণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
  • ২২শে জুলাই, ২০১৮ ইং
  • ৯ই জিলক্বদ, ১৪৩৯ হিজরী
 

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

আ’লীগে একাধিক, প্রার্থী জটে বিএনপি-জামায়াত ও জাপা

Pub: রবিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ   |   Upd: রবিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

নীলফামারী:জাতীয় সংসদের ১৪ নম্বর আসনটি নীলফামারী জেলার সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত। এটি নীলফামারী-৩ আসন। আসনটিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন দলে একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীর দৌড় শুরু হয়েছে।

জেলার জলঢাকা এবং কিশোরগঞ্জ উপজেলার আংশিক নিয়ে নীলফামারী-৩ আসনে রয়েছে ১৪টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা। এর মধ্যে জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা (২০১৪) দুই লাখ সাত হাজার ৯৫৮, কিশোরগঞ্জ উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে ৫৩ হাজার ৪৮৮। মোট দুই লাখ ৬১ হাজার ৪৪৬ ভোটারে মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৩১ হাজার ১৫ এবং নারী এক লাখ ৩০ হাজার ৪৩১। আসনটির বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগের অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা।

আসনটিতে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে অনেকেই এলাকার মানুষের সঙ্গে করছেন শুভেচ্ছা বিনিময়, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ভোটারদের নজরে আসার চেষ্টা সবার। তবে ওই মনোনয়ন প্রত্যাশার অস্থিরতা বেশি আওয়ামী লীগে। এমন অস্থিরতায় দলের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার মনোভাবও রয়েছে অনেকের মধ্যে।

আসনটিতে বিগত ১০টি নির্বাচনের মধ্যে নিরপেক্ষ নির্বাচনে বেশিরভাগ সময়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছেন স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত এবং মুসলিম লীগ থেকে। সারাদেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের যে কয়েকটি উর্বর এলাকা রয়েছে তার মধ্যে নীলফামারী-৩ আসন অন্যতম।

বিগত ১০টি নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এককভাবে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী প্রথম, পঞ্চম, এবং দশম নির্বাচনে জয়ী হয়। নবম সংসদে সেখানে নির্বাচিত হন মহাজোটের (আওয়ামী লীগ-জাপা) শরিক জাতীয় পাটির প্রার্থী। চতুর্থ সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি, ১৫ ফেব্রুয়ারির ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী নির্বাচিত হন। সেখানে স্বাধীনতা বিরোধী মুসলিম লীগ দ্বিতীয় সংসদে, জামায়াত তৃতীয়, সপ্তম এবং অষ্টম সংসদ নির্বাচনে আসনটি দখল করে।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী যারা: দশম নির্বাচনে প্রথমবার এমপি নির্বাচিত হন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা। ১৯৭৮ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে এমএ ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন জলঢাকা ডিগ্রি কলেজে। পেশা এবং রাজনীতির পাশাপাশি তিনি স্থানীয় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক, সেটি এখন স্থানীয় দৈনিক পত্রিকা। একই সময়ে জলঢাকা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি তিনি।

ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগে আসেন এই রাজনীতিক। থানা ছাত্রলীগের বিভিন্ন দায়িত্বে থেকে তিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত রংপুর কারমাইকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ সময়ে দুই বছর কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্যও ছিলেন তিনি। ‘৭৫ সালে তার উদ্যোগে কারমাইকেল কলেজে বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ করায় সে সময়ের সামরিক শাসনের রোষানলে পড়েন ওই নেতা।

২০১৪ সালের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নে এমপি নির্বাচিত ওই এমপি দাবি করে বলেন, ‘আসনটি স্বাধীনতা বিরোধীদের হাত থেকে উদ্ধার করেছি, এলাকার মানুষের কল্যাণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুতের উন্নয়ন করেছি। দৃশ্যমান উন্নয়নে নির্বাচনী এলাকাটি এখন আর অবহেলিত নয়। সাধারণ মানুষ এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করছি। আসনটি রক্ষায় দলনেত্রীর কাছে আবারো মনোনয়ন চাইব।’

এই আসনে মনোনয়ন চান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মমতাজুল হক। তিনি ১৯৭৯ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে এসে ১৯৯০ সালে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। রাজনীতির সফলতায় ২০০৬ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ২০১২ সালে জেলা পরিষদের প্রশাসক মনোনীত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। গত জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি বলেন, ‘সঠিক নেতৃত্ব এবং এলাকার উন্নয়নে আমি মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী আনছার আলী মিন্টু মনোনয়ন প্রত্যাশী। ২০০৪ সালে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অদ্যাবধি রয়েছেন দায়িত্বে। তিনি ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। ২০০৯ সালে জলঢাকা উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

উপজেলার গোলনা ইউনিয়ন পরিষদের দু’বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান কামরুল আলম কবির মনোনয়ন চান আসনটিতে। ‘৯১ ও ‘৯৬ সালে সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০০৮ সালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ১৯৯৯ সালে উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দেন তিনি।

এদিকে আসনটিতে মনোনয়ন চান ঊনসত্তরের আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা একেএম শহীদুল ইসলাম। তার বাড়ি ওই আসনের কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেরভেরি গ্রামে। ২০০৫ সালে সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের পদ থেকে অবসরে যান।
দলের নেতাকর্মীরা জানান, এ আসনে নবীন প্রবীণ মিলে মনোনয়ন প্রত্যাশীর সংখ্যা অনেক। সে নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে নেতাদের মধ্যে দলাদলিও আছে। বর্তমান এমপি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে জামায়াত প্রীতি ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ একাধিক বিষয়ে সভা সমাবেশে অভিযোগ তুলেছেন তারা।

তবে নেতাকর্মীদের মধ্যে অনেকে বলছেন ‘এসব অভিযোগ ব্যক্তি স্বার্থহানির কারণে উত্থাপিত হয়েছে এমপির বিরুদ্ধে।’

এ ব্যাপারে প্রবীণ রাজনীতিবিদ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মখলেছুর রহমান শাহ্ বলেন, ‘এমপি আমাদের সঙ্গেই আছেন। সব কাজে আমরা তাকে কাছে পাচ্ছি। ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলে ব্যর্থ হয়ে অনেক স্বার্থান্বেষী নেতা অভিযোগ করছেন এমপির বিরুদ্ধে।’

একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশীর ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘চাওয়া পাওয়া থাকতে পারে, কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বিষয়টি আমাদের দেখতে হবে। জামায়াত অধ্যুষিত এ এলাকায় আমরা অধ্যাপক গোলাম মোস্তফাকে প্রার্থী করে আসনটি উদ্ধার করতে পেরেছি। কিছু স্বার্থন্বেষী নেতার কারণে আমরা সেটি হারাতে চাই না।’

একই ধরনের কথা বলেন পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদার রহমান, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আলীসহ অনেকে।

তারা বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। এমপি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এলাকার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। জামায়াত অধ্যুষিত এলাকার সাম্প্রদায়িক চেতনার পরিবর্তে অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটেছে। শিক্ষার প্রসারে উপজেলায় সরকারি স্কুল কলেজ হয়েছে। দলকে ক্ষতায় আনতে আমাদের যোগ্য প্রার্থীই প্রয়োজন।’

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বৃহৎ একটি রাজনৈতক দল। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সেখানে দলের একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আর মনোনয়ন প্রত্যাশা করা দোষের কিছু নয়। দল সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি বাছাই করে মনোনয়ন চূড়ান্ত করবে। মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে কেউ বিরোধিতা করলে তার আদর্শিক বিচ্যুতি ঘটবে। সে ক্ষেত্রে বঞ্চিত হলেও দলের হয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে বলে আমি মনে করি।’

বিএনপি: এ আসনে দলীয় মনোনয়ন চান জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) শিল্পপতি মো. সামসুজ্জামান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে বিএনপির রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনি ২০০৭ সালে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে সাধারণ সম্পাদক, ২০১১ সালে সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আসেন। ২০১৬ সালের কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

বিএনপি-জামায়াতের জোটগত নির্বাচনে আসনটি এর আগে জামায়াতকে ছেড়ে দেয়া হলেও তিনি বলেন, ‘এ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। জলঢাকা পৌরসভায় মেয়র পদে দলীয় প্রার্থীর জয় হয়েছে। আসনটিতে এবারে বিএনপির প্রার্থী জিতবে। জামায়াতের প্রার্থী হলে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসবে না।’

জামায়াত: স্বাধীনতা বিরোধীদের যে কয়েকটি উর্বর আসন রয়েছে তার মধ্যে এটি অন্যতম। এ আসনে দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচনে মুসলিম লীগ, তৃতীয়, সপ্তম এবং অষ্টম সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির ইউনিট সদস্য ও রংপুর বিভাগীয় টিমের সদস্য অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম প্রার্থী হওয়ার কথা জানিয়েছেন। দলের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা জানান, ২০০৮ সালে বিএনপি জোটের পক্ষে নির্বাচন করেছিলেন জামায়াতের পক্ষে অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম। এবারের নির্বাচনেও জোটের মনোনয়নে তিনিই প্রার্থী হবেন।
জাতীয় পার্টি: আসনটিতে নবম সংসদ নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির কাজী ফারুক কাদের। গত নির্বাচনে দলের পক্ষে নির্বাচন করে পরাজিত হন। এবারে ওই আসনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। কাজী ফারুক কাদের পাকিস্তানের করাচিতে এসটি পাটরিক্স কলেজ থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি মুসলিম লীগের কাজী আবদুল কাদেরের ছেলে।

এদিকে ওই আসনে মনোনয়ন চান জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব সাজ্জাদ পারভেজ। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে জাতীয় পার্টির রাজনীতিতে সক্রিয় থেকে ছাত্র ও যুব রাজনীতির পর জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। আসনটিতে কাজী ফারুক কাদেরের মনোনয়নের বিরোধিতা করে তিনি বলেন, ‘দলের সাবেক ওই এমপি সক্রিয় নেই রাজনীতিতে।’ সাজ্জাদ পারভেজের বাড়ি জেলা শহরে।
মেজর (অব.) রানা মোহাম্মদ সোহেল নামে জাতীয় পার্টির আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশীর নাম শোনা গেছে সেখানে।

স্বতন্ত্র: দু’বারের নির্বাচিত জলঢাকা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিল্পপতি সৈয়দ আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য রয়েছেন মাঠে। তার শুভেচ্ছা প্রচারণার পোস্টার আসনটিতে ছড়িয়ে পড়েছে ইতোমধ্যে। জামায়াতের সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার প্রচারণা থাকলেও সরাসরিভাবে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন বলে দাবি তার।

সৈয়দ আলী জানান, জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে আমি কখোনো জড়িত ছিলাম না। ৯০’র দশকে বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলাম। আগামী নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে অংশগ্রহণ করব। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার প্রত্যাশা করেন তিনি।

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 1141 বার

 
 
 
 
জানুয়ারি ২০১৮
রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
« ডিসেম্বর   ফেব্রুয়ারি »
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
 
 
 
 
WP Facebook Auto Publish Powered By : XYZScripts.com