তারেক রহমান কে নিয়ে কেন এত এলার্জি ,তাদের উদ্দেশ্য কি ?

Pub: সোমবার, জানুয়ারি ৮, ২০১৮ ১১:২৯ অপরাহ্ণ   |   Upd: সোমবার, জানুয়ারি ৮, ২০১৮ ১১:২৯ অপরাহ্ণ
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান দেশ নায়ক তারেক রহমান দেশ ও জাতীয়তাবাদের প্রতীক। ইদানিং পরিলক্ষিত হচ্ছে বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় শুরু হয়েছে প্রপাগান্ডা তারেক রহমান কে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য শুরু হয়েছে নতুন ষড়যন্ত্র,বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোন একটি মহল এই গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এটা করে বিএনপির নেতা কর্মীদের মধ্যে হতাশা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

আমাদের দেশের রাজনৈতিক অসুস্থতার মধ্যে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল ও সেই দলের রাজনীতিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা না করে বিশেষ বিশেষ নেতা-নেত্রীকে টার্গেট করে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও চরিত্র হননের চেষ্টা চালানো হয়। সম্প্রতি এটা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে যাওয়ার কারণ, রাজনীতি এখন আর আদর্শবাদিতার আকর্ষণীয় স্থানে নেই, রাজনীতি হয়ে গেছে সম্পূর্ণ ভোগবাদী।

এই অবস্থায় নেতা কর্মীদের মধ্যেও যাতে হতাশা তৈরি করা যায় সেই চেষ্টাও হতে পারে। তবে সেগুলোতে কান না দিয়ে নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সব ধরণের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।

তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ রাজনীতির বয়স দুই যুগের বেশি। তিনি সাংবাদিক নামধারী ভন্ডদের যেমন চেনেন আবার যারা বস্তুনিষ্ঠ ও সত্যানুসন্ধানী সাংবাদিকতা করেন তারাও তার কাছে অজানা নয়। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে ২০১৭ সালের ৭ নভেম্বর লন্ডনে দলের একটি সভায় বক্তব্য দিয়েছেন তারেক রহমান। বক্তৃতায় তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘চালের মধ্যে যেমন খারাপ চাল আছে, মানুষের মধ্যেও ভালোমন্দ রয়েছে। সব সাংবাদিক খারাপ নয়, আবার সব সাংবাদিক ভালো নয়, রাজনীতিবিদদের মধ্যেও ভালো খারাপ আছে একইভাবে সব শ্রেণী পেশার মানুষের মধ্যেও ভালোমন্দ রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, দেশের কতিপয় গণমাধ্যমের সাংবাদিক এবং মালিক অবৈধ সরকারের কাছ থেকে অবৈধ সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে এবং আরও অবৈধ সুবিধা নেয়ার জন্য তারা প্রতিনিয়ত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপি সম্পর্কে প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তিনি তাদেরকে মিথ্যা ও অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার আহবান জানান। তারেক রহমান বলেন, জনগণ এইসব মিথ্যাচার ও অপ্রচারকারী সাংবাদিক নামধারীদের আত্মসম্মানবোধহীন এবং নিম্নশ্রেনীর মানুষ বলে মনে করেন। তারেক রহমান অপপ্রচারকারী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন “নিজেদের এতো নীচে নামাবেন না’।

তারেক রহমানের এই বক্তব্যে প্রকৃত সাংবাদিকরা খুশি হলেও রাগ করেছেন সাংবাদিক নামধারী ধান্দাবাজ-চাঁদাবাজরা।

তারেক রহমান বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান। তিনযুগের বেশি সময় ধরে প্রত্যক্ষ্ রাজনীতিতে জড়িত থাকার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ। রাজনৌতিক কর্মসূচি নিয়ে সারাদেশে ঘুরেছেন। দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিরোধী দলে থেকেও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হয়েছেন আবার তার দল বিএনপি একাধিকবার সরকার পরিচালনা করেছে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিরোধী দল বিএনপি।

সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান। তারেক রহমান লন্ডনে বেশ কয়েকটি সভা সেমিনারে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বেশ কিছু বিষয় তার বক্তৃতায় তুলে ধরেছেন। ঐতিহাসিক কিছু বিষয় উত্থাপন করে দলিল প্রমানসহ ‘জিয়াউর রহমান : বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক’ শিরোনামে একটি বইও সম্পাদনা করেছেন। একজন রাজনৈতিক নেতা হয়েও বইটি সম্পাদনা করার কারণ বাচালতা কিংবা প্রতিহিংসা নয় বরং তথ্য প্রমান দিয়ে তথ্য উপস্থাপন করা।

এই নির্বোধেরা নিজেদের অধিক পন্ডিত মনে করে। নিজের অবস্থা অবস্থান ভুলে গিয়ে একজন জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতা সম্পর্কে যখন পাগল-ছাগলের মতো মন্তব্য করে তখন বোধসম্পন্ন মানুষ লজ্জা পায়। সেইসব অর্বাচীনদের সঙ্গে ইতিহাসের আলোচনা করে লাভ নেই কারণ এদের কাছে ইতিহাস হচ্ছে “নগদ প্রাপ্তি”র বিষয়। নগদ প্রাপ্তির জন্য এরা শেখ মুজিবকে পিতা ডাকে, আবার প্রয়োজনে জেনারেল এরশাদ কিংবা জেনারেল মঈনকে পিতা ডাকতেও এদের দ্বিধা নেই। এখন তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হলেও হয়তো দেখা যাবে দেখা যাবে পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে এরাই আবার তারেক রহমানকেও পিতা সম্বোধন করবে।
লেখক:সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ

সংবাদটি পড়া হয়েছে 4439 বার