এবারের বই মেলা ২০২০

Pub: Friday, February 28, 2020 7:05 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আতাউর রহমান আফতাব
বহু বছরের অভিজ্ঞতা থেকে এবারের বই মেলা ব্যাতিক্রম নয়। ১৯৮৯ সন থেকে আমি প্রায়ই বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে বই মেলায় যাই। মনে পড়ে ১৯৯৫ সনে মেলায় নির্মলেন্দু গুণের কবিতার বই বের হয়েছে, নাম, “শিয়রে বাংলাদেশ “।তথ্য কেন্দ্রের মাইকে ঘোষণা শোনে তরুণ তরুণিরা, বলছে, দোহাই,এত ভার কীভাবে সে বহন করবে। অন্যদিকে তরুণ তরুণিরা চুটিয়ে প্রেম করছে।

এবারের মেলায় তরুণ তরুণি, প্রবিন,বৃদ্ধ, যুবা সব শ্রেণীর পাঠক, দর্শক দেখা গেলো।বই কেনার মেলার সৌন্দর্য্য অবলোকনই তাদের কাছে মুখ্য।
একুশের বই মেলা যেন বাংলাদেশের জাতীয় উৎসব। প্রাণের মিলন মেলা। আমরা বই প্রকাশের নেশা নিয়ে মেলায় যাই। যে বিষয়টি ধর্তব্য, সিলেটে ফেব্রুয়ারীতেই ৩ টি বই মেলা হয়ে গেলো। যারা ঢাকায় যেতে পারছেন না, তাদের সিলেট শহীদ মিনারে প্রথম আলো বন্ধু সভার মেলাতে জনগণ ভালোই ভীড় করেছে। তবে ঢাকার মত সিলেটে তেমন বই বিক্রি হচ্ছে না। তাছাড়া, সিলেটের প্রকাশনীর প্রকাশিত বই গুলোর মযা’দা সিলেট লাইব্রেরীগুলোতে বিকায় না। এই যে,রাজধানীর প্রতি অপ্রচ্ছন্ন ভক্তি ও ঠান, তা শোভনীয় নয়। চট্টগ্রাম বা রাজশাহীর প্রকাশক তাদের বিভাগের প্রকাশক ও কবি সাহিত্যিকদের সমান মর্যাদাদেয়। সে সব বিষয় আমাদের চেতনায় ধারন করার প্রয়োজন রয়েছে।
একুশের বই মেলাকে সফল করে তুলতে আমাদের লেখক গবেষক বৃন্দকে দেশী বিদেশী গ্রন্থ সমভাবে আমদানি করার প্রয়োজন। এবারের মেলায় ধমী’য় গ্রন্থের প্রতি মানুষের আকর্ষণ ভালোই। আমাদের বক্তব্য, ভেতো বাঙালী না হয়ে সচেতন সমাজ ও জাতি হিসেবে গড়ে ওঠার প্রয়োজন।

১৯৮৯ সনের মেলায় ৬০/৭০ টি ষ্টল ছিল।বাংলা একাডেমীর প্রাঙ্গনে। তখন মেলায় তেমন জনসমাগম হত না। আজ একুশেরর মেলা যেন বাংলাদেশের জাতীয় উৎসবের মত।ব্যাবসায় ভিত্তিক বই লিখে অনেকে দু পয়সা রোজগারের চেষ্টা করেন। মেলায় গেলে পরিচিতি ঘটে দেশ বিখ্যাত কবি সাহিত্যিক বৃন্দের সাথে। এবারের মেলায় অামার অাধুনিক কবিতার বই, “তারুণ্যে” প্রকাশিত হল।ঘন ঘন গেলো ৩ বছরে ৩ টি বই প্রকাশিত হল।একুশের বই মেলা স্বাথ’ক ও সফল হোক, আমাদের কাম্য।

Hits: 1


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ