এবিএম মূসা ছিলেন সাংবাদিকতার কিংবদন্তি’

Pub: Wednesday, March 6, 2019 12:14 AM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

উপমহাদেশে সাংবাদিকতায় মূসা হচ্ছেন রোল মডেল। এবিএম মূসা সাংবাদিক হিসেবে এদেশে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনায় ছিলেন আপসহীন। সাহসের সঙ্গে অকপটে সত্যকে তুলে ধরেছেন। সাংবাদিক থেকে সম্পাদক হয়েছিলেন এবিএম মূসা। সাংবাদিকদের নেতৃত্বেও তিনি ছিলেন প্রথম সারিতে। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশন আয়োজিত এবিএম মূসার ৮৮তম জন্মদিন উপলক্ষে ‘ক্রীড়া সাংবাদিকতায় এবিএম মূসা পুরস্কার ২০১৮ ও স্মারক বক্তৃতা ২০১৯’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক এবিএম মূসার স্মৃতিচারণ করে বলেন, মূসা এমনই একজন সাংবাদিক ছিলেন যিনি সব জায়গা থেকে শিখতেন। তিনি বিদেশে বিভিন্ন সভা-সেমিনারে যা শিখেছেন তা দেশে এসে কাজে লাগিয়েছেন।

অন্যদেরকে শিখিয়েছেন। আমাদের সঙ্গে আলাপ করেছেন তা কীভাবে কাজে লাগানো যায়। অবজারভার পত্রিকায় বার্তা সম্পাদক থাকার সময় তার ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, তার অবদানের কারণেই এই পত্রিকাটিকে সবাই চিনতো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এবিএম মূসার নিবিড় সম্পর্ক ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়, ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে তার অত্যন্ত গভীর সম্পর্ক ছিল। তিনি সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে ‘আতাউস সামাদ ট্রাস্ট’ বৃত্তি চালু করেন। অথচা এটা যখন তিনি শুরু করেন আমাকে এটার প্রচারণা করতে দেননি। তিনি কোনোভাবেই নিজের প্রচারণা করতে চাইতেন না। তার মতো বিরল মানুষের আলোচনা করা উচিত বলেও তিনি জানান। বিশেষ অতিথি স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু বলেন, মূসা ভাই খেলা দেখতেন। আমি ভালো খেললে বাহবা দিতেন আর খারাপ খেললে বকা দিতেন। তিনি আমাকে বিভিন্নভাবে ভালো খেলার পরামর্শ দিতেন। সাবেক এ ফুটবলার এবিএম মূসাকে স্বাধীনতা পুরস্কার অথবা জাতীয় পুরস্কার দেয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপিত সাইফুল আলম বলেন, এবিএম মূসা ছিলেন সাংবাদিকতার কিংবদন্তি। তার জন্মদিনে আমি আনন্দিত। কারণ আমাকে তিনি অত্যন্ত স্নেহ করতেন। আমি মূসা ভাইয়ের সান্নিধ্য পেয়েছি, কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। তিনি জাতীয় প্রেস ক্লাবের এ পর্যন্ত আসার পিছনে এবিএম মূসার অবদান সব থেকে বেশি বলে জানান। তিনি বলেন, এবিএম মূসা সিনিয়রদের সঙ্গে যেভাবে মিশতেন তেমনি জুনিয়রদেরও কাছে টেনে নিতেন। তার কোনো টেবিল ছিল না। তার কাছে যে কেউ গিয়ে কথা বলতে পারতেন। অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতায় ক্রীড়া সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য ‘এবিএম মূসা পুরস্কার ২০১৮’ দেয়া হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সভাপতি ও প্রধান অতিথি কালেরকণ্ঠের ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান মোহাম্মদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, এবিএম মূসার কনিষ্ঠ কন্যা ড. শারমিন মূসা, তার জামাতা ব্যারিস্টার আফতাব উদ্দিন।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ