কাকে বলে হোম কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন ?

Pub: Wednesday, April 1, 2020 1:01 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইয়াসমিন আক্তার,
শীর্ষ-খবর,লন্ডন প্রতিনিধি

হোম কোয়ারেন্টাইন:-স্বেচ্ছায় একাকী বাস।

নিজ বাড়িতে-বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের থেকে নিজেকে আলাদা করে বিশেষ দূরত্ব বজায় রেখে একা থাকাকেই হোম কোয়ারেন্টাইন বলে । ওই ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত নিজের কক্ষেই নিজেকে একা থাকতে হবে তিনি যদি আক্রান্ত থাকেন যেন অন্য কেউ ওই ব্যক্তি দ্বারা আক্রান্ত হতে না পারে,স্পর্শের মাধ্যমে যেহেতু এই ভাইরাসটি এক ব্যক্তি থেকে অপর ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে অতএব পরিবারের সুবিধার্থেই অন্যদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলা অত্যাবশ্যক ।

যদি কারো আলাদা কোনো কক্ষ না থাকে তবে একই কক্ষে থাকলে ও এক্ষেত্রে সতর্কতামূলক:-

*হাঁচি কাশি থাকলে মাস্ক পরতে হবে।
*পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের থেকে ৩
ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে ।
*সন্দেহভাজন ব্যক্তির বিছানা সহ নিত্য
প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিস আলাদা
রাখতে হবে এবং
*বাইরের লোকজনের সাক্ষাৎ এড়িয়ে
চলতে হবে।
*ঘন ঘন হাত ধুয়ে নিতে হবে। চলাচলের
ক্ষেত্রে যেসব জায়গায় বার বার স্পর্শ
হচ্ছে সেই স্থান গুলো রুটিন মাফিক
দিন শেষে ভালো করে জীবাণুনাশক দিয়ে
মুছে পরিষ্কার করে নিতে হবে।
যেমন দরজার হাতল,কম্পিউটার,ফোন,
ল্যাপটপ,টয়লেট ইত্যাদি।

করোনা ভাইরাসের উপসর্গ সম্পূর্ণ প্রকাশ পেতে যেহেতু ১৪ দিনের মতো সময় লাগে সেহেতু দেশের বাইরে অবস্থানকালে কোনো ব্যক্তি নিজ দেশে প্রবেশের ফলে ওই ব্যক্তির অথবা উপসর্গ সন্দেহভাজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এ ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকা প্রযোজ্য ।
এছাড়া ও যে স্থানে করোনা প্রকোপ বিস্তার করেছে ওই স্থান থেকে যদি কোন ব্যক্তি অন্য স্থানে গমন করেন ফলে ওই স্থানে থাকাকালীন সময়ে তিনি আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে এ বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এ ধরণের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সরকারী নির্দ্দেশনা অনুযায়ী ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন পয়েন্টে থাকার নিৰ্দেশনা রয়েছে ।

আইসোলেশন :-
সঙ্গরোধ/পৃথকীকরণ।

করোনা ভাইরাসের উপসর্গ আছে অথবা এ ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে বলে পরীক্ষার ফলাফল নিশ্চিত বলে জানা যায়,সেই ব্যক্তিকে আইসোলেশনে পাঠানো হয় বা অনেকেই নিজেই নিজেকে সম্পুর্নভাবে আলাদা করে নেন ।এ অবস্থায় রুগীকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে অবস্থান করতে হয় অথবা হিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে
হয়।

চিকিৎসকের ভাষ্যমতে:-
আইসোলেশনে থাকা রোগীকে স্বাথ্যবিধির বাইরে আলাদা কোনো ঔষধ দেওয়া হয় না,প্রয্যাপ্ত পানি,প্রোটিন সমৃদ্ব খাবার,রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো সহ নানা পত্তের মাধ্যমেই রোগীকে পর্যবেক্ষনে রাখা হয়।
.

Hits: 1


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ