নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে অন্তত ব্যয় বাড়বে ১০০০ টাকা

Pub: Sunday, March 1, 2020 11:59 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাম গণতান্ত্রিক জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা রাজেকুজ্জামান রতন বলেছেন, “বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিকভাবে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে অন্তত ব্যয় বাড়বে ১০০০ টাকা।

রবিবার (১ মার্চ) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিদ্যুৎ ও পানির মূল্য বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বাম গণতান্ত্রিক জোট আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের বিদ্যুৎ বিল বাবদ খরচ বাড়বে ২০০ টাকা। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির কারণে পানির খরচ বাড়বে ২৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ দিয়ে চাল চালে। পানি সেচ কাজে বিদ্যুৎ লাগে পানি তুলতে।

তিনি বলেন, আমরা হিসাব করে দেখেছি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারখানায় প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি পাবে। মাঝারি কারখানায় ১৫ থেকে ১৮ হাজার টাকা ব্যয় বাড়বে। বড় কারখানাগুলোতে ৯ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা খরচ বাড়বে। এই টাকা কি মালিক দিবে? এই টাকা জনগণের পকেট থেকে নিবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে যখন এক কাপ চা খাই তখন পয়সা ট্যাক্স দেই। এক কেজি চিনি কিনে ২১-২৯ টাকা ট্যাক্স দেই। মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পিডিবি চলতে পারে। বিভিন্ন বিভাগগুলি চলতে পারে। ফলে জনগণের বিনা মূল্যে বিদ্যুৎ দেওয়া উচিত। পানি দেওয়া উচিত।

তিনি বলেন, যদি দুর্নীতি, ঘুষ, লুটপাট বন্ধ করা যায় তাহলে বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হয় না। বরং কমানো যায়। আমরা ২০১৭ সালে হিসাব করে দেখেছি। এবার আবারও হিসাব করে দেখিয়েছি। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রয়োজন নাই। তবু লুটেরা সরকার উন্নয়নের কথা বলে জনগণের পকেট কাটছে।

গণসংহতি আন্দোলনের সভাপতি জোনায়েদ সাকি বলেন, এই সরকার দেশের বিরুদ্ধে, দেশের জনগণের বিরুদ্ধে একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। তারা বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানির দাম বছরে বছরে বাড়াচ্ছে। আবার নানা পাঁয়তারা করছে। একক সিদ্ধান্তে বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা হিসাব করে দেখেছি যদি বিদ্যুৎ বিভাগের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানো যায় তাহলে বছরে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। তারা বলছে প্রতিবছর ৫ হাজার কোটি টাকা লস হচ্ছে। অপ্রোজনীয় ব্যয় এই লস কথা। অবিলম্বে বিদ্যুৎ ও পানির মূল্য প্রত্যাহার করতে হবে বলে জানান তিনি।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, এই সরকার ১১ বছরের মাথায় আটবার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। বিদ্যুতের দামের প্রভাব সকল পণ্যের উপর পড়বে। নিত্য প্রয়োজনীয় সকল পণ্যের দাম বাড়বে।

তারা বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর জন্য গণশুনানি হয়েছিল আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। আমরা প্রতিবাদ করেছিলাম। কিন্তু তারা কথা শুনেনি।

এসময় আরো বক্তব্য দেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতা অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, শহিদুল ইসলাম, হামিদুল হক, মানস নন্দী প্রমুখ।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ