যাদের ঘর নেই তাদের কথাও চিন্তা-ভাবনা করতে হবে: কাদের

Pub: Thursday, April 30, 2020 3:26 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল বলেছেন, ‘আমরা বলছি ঘরে থাকতে হবে, আমি নিজেও ঘরে আছি, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায়। কিন্তু যাদের ঘর নেই তারা থাকবে কোথায়? এদের ব্যাপারেও আমাদেরকে চিন্তা-ভাবনা করতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির ত্রাণ উপকমিটির পক্ষ থেকে অসহায় গরীব মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কানফারেন্সে সংযুক্ত হয়ে  তিনি এসব কথা বলেন।  

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনরা আজকে ঘরে ঘরে ত্রাণ পৌঁছে দিবেন- এরকম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু এদেশের অনেক মানুষ আছে, যাদের কোনও ঘর নেই, যারা রেলস্টেশন, টার্মিনাল, ফ্লাইওভারের নিচে, খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন অসংখ্য শিশুসহ অনেক মানুষ। তাই আজকে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অঙ্গীকার গৃহহীনদের ঘর দেওয়ার।’

তিনি বলেন, ‘আজকে গৃহহীনদের ঘর দেয়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী দেওয়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী করেছেন। এখানে তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমাদের উপ-কমিটি তথা আমাদের নেতৃবৃন্দ নেতৃবৃন্দ প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে পারেন।’

‘ত্রাণমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ দিয়েছেন ভাসমান মানুষের তালিকা প্রণয়ন করার জন্য। এদের মধ্যেও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করার জন্য। এ ব্যাপারে আমাদের ত্রাণ উপকমিটি আমাদের সহযোগী সংগঠনগুলো নেতৃবৃন্দ কর্মীরা সহযোগিতা করতে পারেন।’

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘নেত্রীর যে অঙ্গীকার, সে অঙ্গীকার পূরণে তালিকা প্রণয়নে আমাদের সহযোগিতা করতে হবে। আমাদের প্রিয় নেত্রী, আমাদের পার্টির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সঙ্গে কিছুক্ষণ আগে কথা বলেছি। আমাদের নেত্রী আজকে আপনাদের সকলকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। আপনাদের এই কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেছেন।ত্রাণ বিতরণের উপকমিটির এই উদ্যোগকে প্রশংসা করে এই কাজটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য  নির্দেশ দিয়েছেন।’

পোশাক শিল্পের বিষয়টি উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আরেকটা বিষয় হচ্ছে- যে করোনা সংকটে তৈরি পোশাক শিল্পের শিল্পের তৈরি পোশাক শিল্পের আন্তর্জাতিক বাজার হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। অনেক গুরুত্বপূর্ণ অর্ডার বাতিল হয়ে যাবে, এমন আশঙ্কার প্রেক্ষিতে আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা ও আশেপাশের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোকে সীমিত আকারে চালু করার অনুমতি দিয়েছেন।

সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘এসকল ফ্যাক্টরিতে ঢাকায় অবস্থানরত শ্রমিকদের কাজে লাগানোর কথা বলা হয়েছে।  মালিকরা তা মেনেও নিয়েছেন। অথচ প্রতিদিন ঢাকার বাহির থেকে অধিকাংশ শ্রমিক ঢাকায় প্রবেশ করেছে, চাকরি হারানোর ভয়ে। এখন গার্মেন্টস মালিকরা বলছেন, তারা ঢাকায় অবস্থানকারীদেরই কাজে লাগাচ্ছেন।  প্রতিদিনই ঢাকায় আসা শ্রমিকরা গণমাধ্যমে বলছে,  তাদেরকে বাধ্য করা হচ্ছে আসার জন্য।’

তিনি বলেন, আমি জানি না এই বিষয়ে গার্মেন্টস মালিকরা কি চিন্তা করছেন। এসকল ফ্যাক্টরিতে ঢাকায় অবস্থানকারী শ্রমিকদের কাজে লাগানোর কথা বলা হলেও কেন প্রতিদিন ঢাকার বাইরে থেকে কেন প্রতিদিন ঢাকার বাইরে থেকে অসংখ্য শ্রমিক ঢাকায় আসছেন? চাকরি হারানোর ভয়ে। কাজেই এ বিষয়ে গার্মেন্টস মালিকদের আজকে সিদ্ধান্তের বিষয় আছে। আমি মালিকদের এ বিষয়ে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অনুরোধ করছি। এবং যারা ফ্যাক্টরিতে কাজ করছেন তাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স বজায় রেখে  কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

পরে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে গরীব অসহায় মানুষের জন্য ২২০০ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য একেএম রহমতুল্লাহ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম,এস এম কামাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, জাতীয় শ্রমিক লীগের সভাপতি ফজলুল হক মন্টুসহ অনেক।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ