রান পাহাড় নিয়েও শ্বাসরুদ্ধকর জয়

Pub: Tuesday, March 3, 2020 9:22 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সিরিজ জয়ের লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নেমেছিলো বাংলাদেশ। তামিমের দেড়শ রানের ইনিংসে বড় সংগ্রহও পায় স্বাগতিকরা। কিন্তু জিম্বাবুয়ের মিডল অর্ডার ও টেলেন্ডার ব্যাটসম্যানরা খেলা জমিয়ে তুলল। একজন স্বীকৃত ব্যাটসম্যান থাকলে হয়ত বাংলাদেশকে হারতে হতো। তবে তেমন লজ্জার সামনে পড়তে হয়নি বাংলাদেশকে।  জয়ের আশা দেখিয়েও পারেনি। শেষের দিকের ঝড়ের পরও সফরকারীরা হেরেছে ৪ রানে। এই জয়ের ফলে সিরিজটা নিজেদের করে রাখলো বাংলাদেশ। 

শেষ দিকে জয়ের জন্য ৩০ বলে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল ৭৭ রান। রোনাল্ডো ত্রিপানো ও টিনোটেন্ডা মুতুমবাদজি রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন শফিউল-আল আমিনদের ওপর। ৪৬তম ওভারে আল -আমিনের করা ওভারে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৬ রান আদায় করে নেন তারা। এরপর শফিউলের করা ৪৭তম ওভারে দুই ছক্কা আর একটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ২০ রান আদায় করে নেন ত্রিপানো।

শেষ ১৮ বলে প্রয়োজন ছিল ৪১ রান। আগের ওভারে ১৬ রান খরচ করা আল -আমিন, রান খরচে সতর্ক হওয়ায় ৪৮তম ওভারে ৭ রানের বেশি নিতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। মূলত এই ওভারেই তাদের জয়ের স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়।

শেষ দুই ওভারে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল ৩৪ রান। শফিউলের করা ৪৯তম ওভারে ১৪ রান আদায় করে নেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। প্রথম বলে সিঙ্গেল আর দ্বিতীয় বলে ওয়াইড দেন আল -আমিন। পরের বলে ব্যাটিং তাণ্ডব চালানো মুতুমবাদজির উইকেট তুলে নেন আল -আমিন। ওভারে তৃতীয় ও চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকান ত্রিপানো। শেষ দুই বলে জয়ে জন্য জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৬ রান। পঞ্চম বলে ডট দেন আল -আমিন। শেষ বলে জিম্বাবুয়ের প্রয়োজন ছিল ৬ রান। স্টাইকে থাকা ত্রিপানো এক রান নিয়েই সন্তুষ্ট থাকলেন। যার কারণে সফরকারীরা হেরে যায় ৪ রানে। 

টস জিতে সিলেটে ব্যাট করতে নেমে তামিমের ১৫৮ রানের ওপর ভর করে ৩২২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। তামিম লিটনের ব্যাটে শুরুটা ছিলো দুর্দান্ত। শুরুর ভালো বেশি দূর নিয়ে যেতে পারেনি বাংলাদেশ।  ওপেনার লিটন এবং ওয়ানডাউনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত দুইজনেই দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হন। এরপর মুশফিক মাঠে নেমে জুটি বাধেন তামিম ইকবালের সঙ্গে।

শুধু তাই নয়, ক্যারিয়ারে ৩৮তম হাফ সেঞ্চুরি করেই তবে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক। তামিমের সঙ্গে ৮৭ রানের মূল্যবান জুটি গড়ার পথে ৪৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন মুশফিক। এরপর তিনি আউট হন ৫০ বলে ৫৫ রান করে। ৬টি বাউন্ডারিতে তিনি সাজিয়েছিলেন নিজের ইনিংস।

মুশির বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে ১০৬ রানের জুটি গড়েন তামিম। মাহমুদউল্লাহও দারুণ ব্যাট করছিলেন। কিন্তু তুলে মারতে গিয়ে জিম্বাবুয়ের হয়ে যুব বিশ্বকাপ খেলা মাধেভেরের অসাধারণ এক ক্যাচে পরিণত হন ৫৭ বলে ৪১ রান করা এই ব্যাটসম্যান। এরপর মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে ৩৪ রান যোগ করে বিদায় নেন তামিম।

দলকে ৩০০ রান থেকে ৮ রান দূরত্বে রেখে তামিম বিদায় নেওয়ার পর মুম্বার বলে বোল্ড হয়ে বিদায় নেন মেহেদি হাসান মিরাজ (৫)। টিকতে পারেননি মাশরাফিও (১)। ইনিংসের ৪৯তম ওভারে জিম্বাবুয়ের পেসার তিরিপানোর বলে সিকান্দার রাজার হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন টাইগার অধিনায়ক। তিরিপানোর করা ওই ওভারেই কোনো রান না করেই বিদায় নেন তাইজুল। শেষ ওভারে মিঠুন আর শফিউল মিলে যোগ করেন ৯ রান। মিঠুন অপরাজিত থাকেন ১৮ বলে ৩২ রান নিয়ে।

বল হাতে জিম্বাবুয়ের মুম্বা ও তিরিপানো ২টি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন মাধেভেরে ও তাশুমা।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ