লড়াই-রুখে দাঁড়ানো ছাড়া দেশনেত্রীর মুক্তির বিকল্প পথ নেই: দুদু

Pub: Thursday, February 20, 2020 7:09 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বিএন‌পির ভাইস-চেয়ারম্যান ও কৃষক দ‌লের আহবায়ক শামসুজ্জামান দুদু ব‌লে‌ছেন, ‘অনেকেই বলছে- বেগম খালেদা জিয়াকে যেকোনও উপায়ে জেল থেকে বের করে আনতে হবে। যেকোনও উপায় আনার আমি দ্বিমত করি। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার অর্জিত গৌরবকে ধু‌লিসাৎ করি সেটা আমাদের জন‌্য লজ্জিত, আমাদের লজ্জার। সে ক্ষেত্রে জ্বলে ওঠা ছাড়া, আন্দোলন করা ছাড়া, লড়াই করা ছাড়া, রুখে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ আছে বলে আমার জানা নেই।’

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্ট বার কাউন্সিল মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। ভাষা শহীদ দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিএনপি।

ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সালাম দিয়ে শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘ভাষা আন্দোলন অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন গণতন্ত্রের আন্দোলনের একটি অংশ। ভাষা আন্দোলন অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। ১৯৫২-তে ভাষা আন্দোলন, ৬২-তে ছাত্র আন্দোলন, ৬৯-এ গণঅভ্যুত্থান ও ৭১-এ মুক্তিযুদ্ধো এই সিঁড়ি পেরিয়ে দে‌শে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা কারার জন্যে, মানুষের স্বাধীনতাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্যে, নানা পর্যায়ে নানা আন্দোলন হয়েছে। তারই অংশ হিসাবে আজকে আমরা এখানে দাঁড়িয়ে আছি। সেই জায়গায় থেকে আমরা বলতে পারি- দুইবারের স্বাধীনতাপ্রাপ্ত একটা জাতির পরবর্তী অবস্থা হচ্ছে স্বৈরতান্ত্রিক।’

তি‌নি ব‌লেন, ‘একটা জাতিকে স্বৈরতান্ত্রিক জাতি হিসেবে উপস্থাপন যদি কৃতিত্ব থাকে তাহলে সে কৃতিত্ব হচ্ছে আওয়ামী লীগের, সেই কৃতিত্ব হচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর, সেই কৃতিত্ব হচ্ছে এই সরকারের। এর থেকে যদি বেরিয়ে আসতে হয়। যারা রাজনীতি করি, আমরা অতীতে করেছি, কোনও না কোনও আন্দোলনের অংশীদার হয়েছি। যেমন ভাষা আন্দোলনে ছাত্র জনতা জেগে উঠেছিলো, রক্ত দিয়েছিলো। এই জাতির একটা গৌরবের অংশ হিসাবে রয়েছে। ১৯৫২ সালের পরে ৬২ ছাত্র আন্দোলন, ৬৯ এ গণঅভ্যুত্থান, ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধো এবং ৭২-এর পর থেকেও ছাত্র আন্দোলনে ছাত্ররা মাঠে ছিলো। আমি নতুন করে যে কথাটি বলতে চাই, সেটি হচ্ছে সত্যির মুখোমুখি আমাদের হতে হবে। এই সত্যিটা হচ্ছে- স্বৈরতান্ত্রিক বাংলাদেশ থেকে গণতন্ত্রের বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে হলে ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

এছাড়াও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক শিরিন সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান সেলিম, সহ-জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, মহিলা দল সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা শাহিন, মহিলা দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হেলেন, ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী, জেরিন খান প্রমুখ।

Hits: 0


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ