শরীয়তপুরে নিত্যপণ্যের দাম উর্দ্ধগতি, লকডাউন মানছেনা লোকজন

Pub: Thursday, April 16, 2020 2:05 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুর জেলার বিভিন্ন হাট বাজারে নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। বিশেষ করে চাল ,ডাল, তৈল ,লবন,চিনি, আটা,ময়দা পিয়াজ ,রসুন ,আদা সহ নিত্যপণ্যের দাম গত ১ সপ্তাহে কেজি প্রতি ২০/৩০ টাকা বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছে আমদানি কম। চাহিদা বেশী। প্রতিনিয়ত ভোক্তা অধিকার ,জেলা প্রশাসন বাজার মনিটর করলে ও বাজার নিয়ন্ত্রনে থাকছেনা। মিনিকেট চাল প্রতিকেজি ৫৪ টাকা,মোটা চাল ৪২টাকা,মশুর ডাল (মোটা) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, দেশী মশুর ডাল ১৩০ টাকা,পিয়াজ ৫৮ টাকা, আদা ২৪০ টাকা,নড়িয়া বাজারে ৪০০ টাকা, ভোজ্যতৈল ১২০-১৩০ টাকা,আটা ৩০-৩২ টাকা, চিনি ৮০ টাকা, লেবুর হালি ৬০টাকা। সোলার দাম ৮০ টাকা। ব্যবসায়ীদের দাবী পরিবহন সমস্যার কারনে মালের সংকট দেখা দিয়েছে। তাছাড়া ঢাকার পাইকারী বাজার বন্ধ থাকায় মালামাল আমদানি করা যাচ্ছেনা। সামনে রমজান। এ ভাবে দিন দিন মালের দাম বাড়তে থাকলে রমজানের নিত্যপন্যেও মারাতœক সংকট দেখা দিওবে বলে ব্যবসআয়ীরা আশংকা করছে। তাউি জরুরী ভিত্তিতে খাদ্য আমদানির জন্য কার্যকরী ব্যস্থা নেয়া দরকার বলে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদেও দাবী। শরীয়তপুর জেলায় লকডাউনের দ্বিতীয় দিন চলছে। লকডাউনের নিয়ম নীতি কোন লোকজন মানছেনা। লোকজন বাজারে অবাধে ঘোরা ফেরা করছে। অন্যান্য দিনের চেয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পালং বাজারে লোকজনের উপস্থিতি ছিল ভরপুর। করোনা সচেতনতা তাদের কারো মধ্যেই নেই। সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে চলাফেরার কথা থাকলেও তারা সেটা মোটেই মানছেনা। প্রতিটি দোকানের সামনে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে লোকজন। নারী পুরুষ একসাথে বাজারে ঘোরাফেরা করছে। কারো মাস্ক আছে আবার কারো নেই। তাদের ধারনা যতদিন আয়ু আছে কেউ মারতে পারবে না। আর আক্রান্ত হলে বাড়ি থাকলে ও হবে। এ কারনে তারা পুলিশ র‌্যাব, সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের কারো কথায় পাত্তা দিচ্ছেনা। এ ছাড়া রিক্সা ভ্যান, অটোরিক্সা হরদমে বাজারে যাত্রি নিয়ে চলছে। গনপরিবহন বুঝাতে এখানে বাস গাড়িকেই বুঝায়। অন্যান্য গাড়িতে একাধিক লোকজন যাতায়তে কোন সমস্যা আছে বলে মনে হচ্ছেনা।
এ ব্যাপারের পালং বাজারের ব্যবসায়ী গনেশ বনিক বলেন, মালামাল আমদানি কম। কেননা পরিবহনে সমস্য হচ্ছে। তাছাড়া উৎপাদনে শ্রমিক নেই। সবকিছু মিলে বাজার উর্দ্ধগতি
ঈালং বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক আবদুস সালাম বেপারী বলেন, ঢাকার পাইকারী বাজার বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ীরা মালামাল আমদানি করতে পারছেনা। এ ছাড়া পরিবহন ও শ্রমিকের সংকটের কারনে মালামালের সংকট থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ভাবে চলতে থাকলে সামনে রমজানে আরো তীব্র সংকট দেখা দিবে। এ বিষয়ে আমি জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলেছি।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা সুজন কাজী বলেন, পরিবহন সমস্যার কারনে আদা ,পিয়াজ, মশুর ডালসহ কিছু কিছু পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য জিনিসপত্রের দাম স্বাভাবিক রয়েছে।

Hits: 6


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ