সেই সাংবাদিকের নামে তিন মামলা, এখনও অধরা!

Pub: Tuesday, April 28, 2020 10:02 PM
 
 
 

শীর্ষ খবর ডটকম

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সাংবাদিকতার আড়ালে প্রতারণা ও নানা অপকর্মের হোতা বেসরকারি টেলিভিশন বাংলাভিশন এর গাইবান্ধা প্রতিনিধি আতিক বাবুর বিরুদ্ধে সদর থানায়  গত এক সপ্তাহে চুরি সহ প্রতারণার তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। কিন্তু তাকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। 

ফলে গুলি করে মেরে ফেলাসহ  নানা ধরনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদীরা। তারা বলছেন, ওর বিরুদ্ধে বিভিন্ন কারণেই এতোদিন মামলা করতে সাহস পাইনি। এখনই বা মামলা করে কি লাভ হলো, সে তো পুলিশের সামনেই ঘুরছে, কিন্তু গ্রেফতার হচ্ছে না।  

তবে পুলিশ বলছে, আতিক বাবুকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। যদিও সে পলাতক রয়েছে। তবে খুব শিগগিরই তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে দাবি করেছেন পুলিশের এক উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে সর্বশেষ মামলাটি করেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ ইউপির মরুয়াদহ গ্রামের শরিফা বেগম। তিনি গাইবান্ধা শহরের ব্রিজ রোড এলাকায় বসবাস করেন। মামলা নম্বর ৭০।  

এরআগে ২২ ও  ২৫ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে  সদর থানায়  চুরি ও  প্রতারণার অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা হয়। নম্বর ৫৫ ও ৬১।

আতিক বাবু গাইবান্ধার সদর উপজেলার বল্লমঝাড় গ্রামের  দলিল লেখক রফিকুল ইসলাম ওরফে হিরু মিয়ার ছেলে। তিনি শহরের পশ্চিম পাড়ায় প্রথম স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে বসবাস করেন। দ্বিতীয় স্ত্রী মৌসুমী আক্তার মিষ্টির নয় লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন আতিক বাবু। মামলা করলে তাকেও গুলি করে মেরে লাশ গায়েব করার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে গর্ভবতী মিষ্টি সব হারিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

আতিক বাবু নিজেকে গাইবান্ধা জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা মটর মালিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন।

মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ বাজারের শরিফা বেগমের ভাতিজাকে পুলিশের চাকরি নিয়ে দেবার কথা বলে আতিক বাবু  ঘুষ বাবদ ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা চুক্তি করে।  এর মধ্যে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বাংলাভিশন গাইবান্ধা অফিস বসে নগদ বুঝে নেয় এই সাংবাদিক। কিন্তু পুলিশের চাকরি দিতে না পারলে টাকার চাপ দেয় চাকরি প্রত্যাশী ভুক্তভুগি পরিবার। পরে এই পরিবারকে হত্যার হুমকি দেয় এই সাংবাদিক আতিক বাবু। এই বিষয়ে সদর থানায় ২০১৯  সালের ২৫ জুন ১১৮৫  নম্বর জিডি করেন শরিফা বেগম। 

শরিফা বেগম অভিযোগ করেন, আতিক বাবুর বিরুদ্ধে প্রথমে পুলিশ আমার জিডিও গ্রহণ করেনি। পরে স্থানীয় সাংবাদিকদের সহযোগিতায় জিডি হলেও মামলা করতে সাহস পাইনি।

গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. শাহরিয়ার বলেন, আতিক বাবুর বিরুদ্ধে সদর থানায় এক সপ্তাহে তিনটি মামলা হয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Hits: 2


  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Print

শীর্ষ খবর/আ আ