• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • [email protected]

জাতীয়

স্বেচ্ছাচারিতার অবসান, জবাবদিহিতা ফিরেছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৮
আপডেট: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:১৮

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ ও গর্বের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে মানুষের জীবনমান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার-এর ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ‘জীবনের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে একটি সম্ভাবনাময় ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ নির্মাণ’-এই প্রতিপাদ্য বিষয়ে পিএসটিসি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। ঐ সময়ে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করা হয়েছিল। ফলে রাষ্ট্র পরিচালনার কর্মপ্রণালী বা পদ্ধতিকে ধ্বংস করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ধ্বংস করা হয়েছে। দেশের এই ক্রান্তিকালে জনগণের ভোটে বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। আমরা ধ্বংস হয়ে যাওয়া রাষ্ট্র পরিচালনার কর্মপ্রণালী বা পদ্ধতিকে পুনরায় স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করেছি। এই পদ্ধতিকে স্বাভাবিক অবস্থায় নিয়ে আসলে কোন অনিয়ম আর নিয়মে পরিণত হবে না। নিয়মের মধ্যে সব কিছু পরিচালিত হবে। দেশের সব নাগরিক গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা হবে। প্রত্যেক নাগরিক যেন গর্বের সাথে বলতে পারে, আমার দেশ।

ফারজানান শারমীন বলেন, অতীতে স্বেচ্ছাচারিতা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করেছিল। কোন জবাবদিহিতা ছিল না। এই অবস্থার উত্তরণ ঘটেছে। জনগণ ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করে সংসদে পাঠিয়েছে। এই সংসদে সরকারের পাশাপাশি প্রকৃতই বিরোধীদল আছে। এই সংসদে জনগণের কল্যাণে কথা হয়। রাষ্ট্র যন্ত্র পরিচালনার পদ্ধতি প্রণয়ন করা হয়। দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ শুরু হয়েছে।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হচ্ছে পরিবারের সবচেয়ে’ বয়োজ্যেষ্ঠ নারীকে। কারণ, পুরো পরিবারকে সেবা প্রদানকারী এই নারীকে যেন তার ্ওষুধ কেনা বা অন্য গুরুত্বপূর্ণ কোন প্রয়োজনে কারো মুখাপেক্ষী না হতে হয়। ঐ নারী যেন পরিবারে কারো অবহেলার শিকার না হন। অর্থনৈতিক এবং মানসিকভাবে তিনি যেন স্বস্তিতে থাকেন। পরিবার থেকে শুরু করে দেশের সব মানুষের মনে আমরা স্বস্তি নিয়ে আসতে চাই।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধিত ৭২ হাজার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ছিলো। সক্রিয় না থাকার কারণে এই সংখ্যা কমে ৫৬ হাজার হয়েছে। আগামীতে এই সংখ্যা দুই থেকে তিন হাজারে কমে আসবে। দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যারা কাজ করছে, তারাই টিকে থাকবে। এসব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের লক্ষ্য এবং সরকারের লক্ষ্যের মধ্যে সাদৃশ্য আছে। প্রকৃত কল্যাণমুখী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে বিগত ৪৮ বছর ধরে দেশের জনস্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গসমতা, কিশোর-কিশোরীদের উন্নয়ন, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর অন্তভর্‚ক্তিমূলক উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া পপুলেশন সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের প্রশংসিত কার্যক্রম আগামীতে আরো বেগবান হবে বলে আমি আশা করছি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনজিও বিষয়ক ব্যুরো’র মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ জাকারিয়া এবং সমাজকল্যাণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব। পিএসটিসি’র কোষাধ্যক্ষ মো. বদরুল মুনীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন পিএসটিসি’র নির্বাহী পরিচালক ড. নূর মোহাম্মদ।

 

সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ
উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রাকেস)
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: [email protected]

© Copyright . শীর্ষ খবর ডট কম