• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

মুমূর্ষ রোগী নিয়ে সাগর পাড়ি, পথে মৃত্যু, সন্দ্বীপে কেন চলে না নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৫
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৫

মুমূর্ষ রোগী নিয়ে সাগর পাড়ি, পথে মৃত্যু, সন্দ্বীপে কেন চলে না নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

মুমূর্ষ রোগী নিয়ে সাগর পাড়ি, পথে মৃত্যু, সন্দ্বীপে কেন চলে না নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

শীর্ষ খবর ডেস্ক
ছবি : সংগৃহীত

সন্দ্বীপে জরুরি রোগীদের চট্টগ্রামে নিতে নৌযানের সংকট দীর্ঘদিনের। সরকারের দেওয়া দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের একটিও বর্তমানে রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে না। একটি ১৫ বছর ধরে অচল, অন্যটি সমুদ্রপথে চলাচলের উপযোগী নয়। চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থাও নেই। ফলে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীদের স্পিডবোট, ট্রলার বা ঝুঁকিপূর্ণ ছোট নৌযানে করে চট্টগ্রামে নিতে হয়। এতে ঘাটে অপেক্ষার সময় বাড়ে, কখনো রোগীর মৃত্যু হয়। সর্বশেষ গত সোমবার মুমূর্ষু ওসমান গণি স্পিডবোটে ওঠার আগেই গুপ্তছড়া ঘাটে মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসকেরা প্রতি সপ্তাহে ২০-২৫ জন ঝুঁকিপূর্ণ রোগী দ্রুত চ্যানেল পারাপারের প্রয়োজনের কথা জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি।

সন্দ্বীপের হারামিয়ায় ২০ শয্যা হাসপাতালের পেছনে স্থান হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নৌ-অ্যাম্বুলেন্স
সন্দ্বীপের হারামিয়ায় ২০ শয্যা হাসপাতালের পেছনে স্থান হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নৌ-অ্যাম্বুলেন্সছবি: প্রথম আলো
সত্তরোর্ধ্ব ওসমান গণি মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে ছিলেন গুপ্তছড়া ঘাটে। সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ছেলে মো. ইব্রাহীম তাই বাবাকে নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন ঘাটে। সামনের সন্দ্বীপ চ্যানেল পার হতে পারলেই হয়তো বাবাকে বাঁচানো যেত। কিন্তু তখন আবহাওয়ার সতর্কতায় সন্দ্বীপের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের নিয়মিত নৌযান চলাচল বন্ধ। ঘাটে গিয়ে কোনো নৌযানও পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনেরা ছোটাছুটি করে শেষ পর্যন্ত একটি স্পিডবোটের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বিকেলে স্পিডবোটে ওঠার আগেই গুপ্তছড়া ঘাটে মারা যান গাছুয়া ইউনিয়নের ওসমান গনি।

অথচ এমন জরুরি মুহূর্তে একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সই হওয়ার কথা ছিল ওসমান গনির পরিবারের ভরসা। সন্দ্বীপে সরকারের দেওয়া দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের একটিও এখন রোগী পারাপারে ব্যবহৃত হচ্ছে না। একটি ১৫ বছর ধরে অচল পড়ে আছে। অন্যটি এক দিনও রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা হয়নি। ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে দেওয়া এই দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের একটি আবার সমুদ্রপথে চলাচলের উপযোগী নয়। ফলে সমুদ্রঘেরা সন্দ্বীপের মুমূর্ষু রোগীদের এখনো কখনো স্পিডবোট, কখনো মালবাহী ট্রলার, আবার কখনো ঝুঁকিপূর্ণ ছোট নৌযানে করে চট্টগ্রামে নিতে হয়।

২০২২ সালের মে মাসে সন্দ্বীপের প্রসূতি কুলসুমা বেগমকে জরুরি চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। তাঁকে গভীর রাতে চিকিৎসকের পরামর্শে চট্টগ্রামে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু নৌযানের সংকট ও ঘাটের অপেক্ষার কারণে যাত্রায় দেরি হয়। পরে চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। গত ১৯ আগস্ট গুপ্তছড়া-কুমিরা নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় সিরাজ উদ্দিন (৭২) নামের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা পেতে দেরি হয় এবং তাঁর মৃত্যু হয়। সিরাজ উদ্দিনের ভাইয়ের ছেলে রেজাউল করিম (৪৬) প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘাটে গিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও আমরা কোনো বোটের ব্যবস্থা করতে পারিনি। সি-অ্যাম্বুলেন্স থেকেও নাই, না হলে এভাবে হয়তো আমার চাচাকে ঘাটে মৃত্যুবরণ করতে হতো না।’

২০১৫ সালে রেসকিউ ইগল ১ নামে আরও একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের দাম প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। আগের নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি যেখানে চালক ও জ্বালানির অভাবে পরিচালনা সম্ভব হয়নি, সেখানে এসবের স্থায়ী নির্দেশনা ছাড়াই দেওয়া হয় আরও একটি। ফলে এটিতে এক দিনের জন্যও রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা যায়নি। পাঁচ বছর আগে যে সমস্যার কারণে প্রথম নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি অচল হয়েছিল, দ্বিতীয়টি দেওয়ার সময়ও সেই সমস্যার সমাধান করা হয়নি। পরে এটিকে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
চালক আর জ্বালানির সংকট
২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সন্দ্বীপে একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি দেয়। সন্দ্বীপের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী এটির মূল্য ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু নৌ-অ্যাম্বুলেন্স মিললেও চালক আর জ্বালানির জোগান কোথা থেকে আসবে, এই প্রশ্নে আটকে যায় রোগীর সেবা। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগসহ সরকারি কোনো বিভাগ এই দায়িত্ব না নেওয়ায় তিন বছর ধরে এটি ঘাটেই পড়ে ছিল।

২০১১ সালে তৎকালীন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহারের উদ্যোগ নেন। উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে অস্থায়ীভাবে চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থা করা হয়। তখন নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি প্রায় এক বছর চলেছিল বলে জানা যায়। কিন্তু উপজেলা পরিষদের সেই উদ্যোগ স্থায়ী হয়নি; অর্থাৎ একটি জরুরি সরকারি সেবাকে সচল রাখতে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হয়েছিল। এর পর ১৫ বছর ধরে সেটিকে আর পানিতেই নামানো হয়নি। এখন সেটি ঘাট থেকে আট কিলোমিটার দূরের হারামিয়া ২০ শয্যা হাসপাতালের পেছনে নিয়ে রাখা হয়েছে।

হাওরের নৌ-অ্যাম্বুলেন্স সন্দ্বীপে
২০১৫ সালে রেসকিউ ইগল ১ নামে আরও একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের দাম প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। আগের নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি যেখানে চালক ও জ্বালানির অভাবে পরিচালনা সম্ভব হয়নি, সেখানে এসবের স্থায়ী নির্দেশনা ছাড়াই দেওয়া হয় আরও একটি। ফলে এটিতে এক দিনের জন্যও রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা যায়নি। পাঁচ বছর আগে যে সমস্যার কারণে প্রথম নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি অচল হয়েছিল, দ্বিতীয়টি দেওয়ার সময়ও সেই সমস্যার সমাধান করা হয়নি। পরে এটিকে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই ২০১৫ সালে দেওয়া রেসকিউ ইগল ১ নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটির উপযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, এটি সমুদ্রপথে চলাচলের জন্য তৈরি নৌযান নয়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারকে রেসকিউ ইগল নামে ছয়টি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাচ হেলথের তথ্য অনুযায়ী, এগুলো ইনল্যান্ড ওয়াটারি অ্যাম্বুলেন্স, অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলের জন্য তৈরি। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও নৌযানটির নকশা অনুযায়ী, নদী, হাওর, বিল ও বন্যাকবলিত এলাকার জলপথে উদ্ধার ও রোগী পরিবহনের জন্য এগুলো ব্যবহারের উপযোগী।

সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে ফেলে রাখা হয়েছে আরেকটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স
সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে ফেলে রাখা হয়েছে আরেকটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সছবি: প্রথম আলো
সন্দ্বীপের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি সাগরে চলাচলের উপযোগী নয়। এটি মূলত হাওর অঞ্চলের জলপথ এবং বন্যার সময় দেশের অভ্যন্তরীণ জলমগ্ন এলাকায় উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য উপযোগী। বর্ষায় সন্দ্বীপ চ্যানেলে বড় ঢেউ ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে এই নৌযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ।

এর বিপরীতে সমুদ্রপথে উদ্ধার ও মানুষ সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছিল রেসকিউ ইগল ৪। বিশ্বব্যাংকের নেদারল্যান্ডস-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, রেসকিউ ইগল ৪ ছিল উপকূলীয় ও সামুদ্রিক উদ্ধারকাজের জন্য তৈরি নৌযান এবং এটি বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে দেওয়া হয়; অর্থাৎ একই রেসকিউ ইগল নামের নৌযান হলেও ১ ও ৪ নম্বর নৌযানের ব্যবহারক্ষেত্র এক নয়। রেসকিউ ইগল ১ অভ্যন্তরীণ জলপথের জন্য, আর রেসকিউ ইগল ৪ সমুদ্র ও উপকূলীয় উদ্ধারকাজের জন্য তৈরি।

সন্দ্বীপের জন্য দেওয়া নৌযানটি নিয়ে এখানেই বড় প্রশ্নটি সামনে আসে। সমুদ্রবেষ্টিত একটি দ্বীপের মানুষের জরুরি চিকিৎসার জন্য যে নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়েছিল, সেটি যদি সেই সমুদ্রপথেই চলাচলের উপযোগী না হয়, তাহলে নৌযানটি কেন সন্দ্বীপে দেওয়া হলো, এই প্রশ্নের যথার্থ উত্তর মেলেনি সংশ্লিষ্টদের কাছে। আর স্থানীয় প্রশাসন যখন ২০১৬ সালেই এটি ফেরত নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল, তখন গত এক দশকে এর বিকল্প ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের কমিউনিটি বেজড হেলথকেয়ার প্রোগ্রামের (সিবিএইচ) আওতায় একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি সন্দ্বীপে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালে তৎকালীন লাইন ডিরেক্টর আবদুল কাইয়ুম তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে প্রথম আলোকে তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। এসব নৌযানের তত্ত্বাবধান ও পরিচালনার দায়িত্ব উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের।

সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সছবি: প্রথম আলো
রোগী পারাপারের চিত্র
সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রধান দুটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা না থাকায় হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও অন্যান্য জটিল ক্ষেত্রে রোগীদের দ্রুত চট্টগ্রামের হাসপাতালে নিতে বলেন তাঁরা। গাছুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সপ্তাহে ৬ থেকে ১০ জন হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও আঘাতজনিত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা এম আশরাফ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবারও আমরা একজন হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’

সন্দ্বীপের সরকারি-বেসরকারি তিনটি হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, প্রতি সপ্তাহে ২০ থেকে ২৫ জন রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সন্দ্বীপ চ্যানেল পার করতে হয়। কিন্তু সাগরপথে রোগী পরিবহনের সুব্যবস্থা না থাকায় রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সুযোগ ও সাধ্য অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার পরও কিছু রোগীকে জেলা শহরে স্থানান্তর অনিবার্য হয়ে পড়ে। তখন কালক্ষেপণের সুযোগ থাকে না।’

কী বলছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা
সন্দ্বীপের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস জানিয়েছেন, জরুরি রোগী পারাপারের দুর্ভোগ নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনেকবার চিঠি দিয়েছেন। সোমবারও একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানান। মানস বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘জরুরি মুহূর্তে রোগীকে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে নৌপথের ভোগান্তি দূরীকরণে আমি ধারাবাহিকভাবে লিখে যাচ্ছি। সোমবারও একটি চিঠি পাঠিয়েছি। আশা করি এ সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আশাবাদী হলেও চট্টগ্রামের চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমান এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য দিতে পারেননি। একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ‘জেনে জানানো হবে’ বলে জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক জালাল উদ্দিন মো. রুমী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই সংকটের বিষয়ে এখনই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য নেব এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
আ/আ


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com