বাংলাদেশের অর্থ জালিয়াতির ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গে আটক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগর থেকে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সাতটি বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট, ১৩টি জমির হদিস পেয়েছে। কলকাতার লাগোয়া এলাকায় রয়েছে একটি জাহাজ বাড়িও।
আটকের পর ১০ দিনের ইডি হেফাজত শেষে গতকাল শুক্রবার পি কেসহ ছয় জনকে কলকাতার ব্যাংকশাল কোর্টের গ্রীষ্ম অবকাশকালীন আদালতে তোলা হয়। আদালত ধৃত প্রশান্ত কুমার হালদার, তার ভাই প্রাণেশ কুমার হালদারসহ বাংলাদেশের বাসিন্দা স্বপন মৈত্র ও উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মি হালদারকে ১১ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। সেখানেই তাদের জেরা করা হবে। ৭ জুন তাদের ফের সিবিআই বিশেষ আদালতে তোলা হবে।
গত ১৪ মে পি কেসহ এই ছয় জনকে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। জেরায় পি কের ১৫২ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিস মেলে।
শুক্রবার আদালতে ইডির পক্ষে সরকারি আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী পি কেসহ অন্যদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের কথা বলেন। পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় সাতটি বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট, ১৩টি জমি, কলকাতার লাগোয়া এলাকায় রয়েছে একটি জাহাজ বাড়ির বিবরণ দেন। পালটা অভিযুক্তদের আইনজীবী সোমনাথ ঘোষ বলেন, ইডি অভিযুক্তদের বাংলাদেশি নাগরিকত্বের কোনো প্রমাণ আদালতে দেয়নি। তদন্তেও অগ্রগতি নেই। অভিযুক্তদের জোর করে আটকে রাখা হচ্ছে। বিচারক সব শুনে ধৃত ছয় জনকে ১১ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
আগেই ইডি আদালতে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা বাংলাদেশে ১০ হাজার কোটি টাকার জালিয়াতিতে যুক্ত। ইতিমধ্যেই ভারতে তাদের ১৫২ কোটির সম্পত্তি উদ্ধার হয়েছে। ভারতে তারা বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক সংস্থাও তৈরি করেছে।

