• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

রেল ভবনের উদ্দেশ্যে লংমার্চ শুরু

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২ ২:৫৪
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই, ২০২২ ২:৫৪

রেল ভবনের উদ্দেশ্যে লংমার্চ শুরু

স্টাফ করেসপডেন্ট

রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান কর্মসূচি করার পর লংমার্চ শুরু করেছেন মহিউদ্দিন রনি। রনি কমলাপুর থে‌কে জাতীয় প্রেসক্লা‌বে আ‌সেন তারপ‌রে টিএসসি যাবেন। তারপর রেল ভবনের মহাপরিচালকের কাছে ৬ দফা দাবি জানাবেন।

মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের বাইরে প্রধান সড়ক থেকে বেলা ১২টা ২৮ মিনিটে তিনি এ লংমার্চ শুরু করেন। তারপ‌রে ১টা ৪৩ মি‌নি‌টে জাতীয় প্রেসক্লা‌বের সাম‌নে আ‌সেন তারপ‌রে টিএস‌সি‌তে যা‌বেন এবং সেখান থে‌কে রেল ভব‌নে যা‌বেন।

লং মা‌র্চে ব‌্যানার হা‌তে ও গলায় শেকল বেঁধে রেলওয়ের অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তারা।

এরআগে, রেলওয়ের অব্যবস্থাপনা দূর করার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড হাতে কমলাপুর স্টেশনে ১২ দিন ধরে অবস্থান করছিলেন এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি।

গত ১৩ জুন রাজশাহী ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে ঢাকা-রাজশাহীর টিকিট কাটার চেষ্টা করেন তিনি। অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমে বিকাশ থেকে ভ্যারিফিকেশন কোড পাঠানো হয়। কিন্তু পিন নম্বর দিয়ে সেটা নিশ্চিত করার আগেই বিকাশ অ্যাকাউন্ট থেকে টিকিটের মূল্য কাটা হয়। ঘটনার পর রনি দ্রুত কমলাপুর রেলস্টেশনে রেলওয়ের সার্ভার রুমে অভিযোগ করেন। সেখান থেকে কারণ হিসেবে জানানো হয়, সিস্টেমের কারণে এমন হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে টাকা ফেরত না পেলে অভিযোগ করতে বলা হয়।

রনি জানান, অথচ তখন তার চোখের সামনে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তার বুকিং করা ৬৮০ টাকার আসনটি আরেক যাত্রীর কাছে ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করেন স্টেশনের কম্পিউটার অপারেটর। এরপর ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরে ১৪ এবং ১৫ জুন দু’বার অভিযোগ করেন। তবে, এখন পর্যন্ত ভোক্তা অধিদপ্তর থেকে কোনো শুনানির ডাক আসেনি।

রেলওয়ের এমন অব্যবস্থাপনা এবং ভোগান্তির প্রতিবাদে ৬ দফা দাবিসহ ৭ জুলাই কমলাপুর রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারের সামনে অবস্থান ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু করেন মহিউদ্দিন রনি। কিন্তু তৃতীয় দিন ৯ জুলাই পুলিশ সদস্যরা তাকে বাধা দেয়। ফলে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি স্থগিত রেখে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

রনি আরও জানান, তাকে মামলা করার ভয় দেখিয়ে কর্মসূচি স্থগিত করতে বলেছেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার মাসুদ সরওয়ার। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাসুদ।

এদিকে রনির এ কর্মসূচি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। রেলওয়ের অনিয়ম ও ভোগান্তির বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষ তার সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে।