• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

শিক্ষিকা খাইরুনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী কারাগারে

প্রকাশ: সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২ ৭:৩৬
আপডেট: সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২ ৭:৩৬

শিক্ষিকা খাইরুনের মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী কারাগারে

নাটোরে কলেজ শিক্ষিকা খায়রুন নাহার (৪০) মৃত্যুের ঘটনায় স্বামী মামুন হোসেনকে (২২) জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আলাদত। এর আগে, দুপুরে মামুনকে ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মামুনকে নাটোর আদালতে হাজির করা হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোসলেম উদ্দীন জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আটক মামুন হোসেন গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে এবযদং নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

গতকাল রবিবার (১৪ আগস্ট) সকালে নাটোর শহরের বলারিপাড়া এলাকার মোল্লা ম্যানশনের চারতলার ভাড়া বাসা থেকে ওই শিক্ষিকার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী মামুন হোসেনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পরে দুপুরে সিআইডির সুরতহালের পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে রাত ৮টার দিকে উপজেলার স্থানীয় আবু বকর সিদ্দিকী কওমী মাদ্রাসা মাঠে জানাযা শেষে খামার নাচকৈড় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

জানা গেছে, এক বছর আগে ফেসবুকে শিক্ষিকা নাহারের সঙ্গে একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামের কলেজছাত্র মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের দুজনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বর কাউকে না জানিয়ে গোপনে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের ৬ মাস পর তাদের সম্পর্ক জানাজানি হলে ছেলের পরিবার মেনে নিলেও মেয়ের পরিবার থেকে বিয়ে মেনে নেয়নি। এর আগে ওই কলেজ শিক্ষিকা বিয়ে করেছিলেন রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার এক ছেলেকে। পারিবারিক কলহে সেই সংসার বেশি দিন টেকেনি। প্রথম স্বামীর ঘরে দুই ছেলে সন্তান রয়েছে বলে জানা যায়।

উল্লেখ্যঃ গত ১২ ডিসেম্বর কলেজছাত্র মামুন হোসেন ও শিক্ষিকা খায়রুন নাহার গোপনে বিয়ে করেন। বিয়ের ৬ মাসেরও বেশি সময় পর গত ৩১ জুলাই তাদের বিয়ের বিষয়টি জানাজানি হলে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকসহ বিভিন্ন মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এতে সারা বাংলাদেশে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে চলে নানা রকম মন্তব্য।