সায়েক এম রহমান
যিনি শুধু স্বপ্নই দেখেন না, বাস্তব কে সামনে নিয়েই স্বপ্ন দেখেন। যার চিন্তা চেতনা বাংলাদেশের মানুষকে ঘিরে, বাংলাদেশকে ঘিরে, খুবই স্বচ্ছ ও বাস্তবমুখী।।
যে নেতা বিশ্বাস করেন, রাজনীতির বিশ্বায়নের সাথে তাল মিলিয়ে সঠিক গবেষণা এবং তৃণমূল থেকে শুরু করে সকল স্তরের নেতা-কর্মীদের শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা। যিনি বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদী শক্তিকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে সুদূর লন্ডন থেকে প্রতিদিন ভার্চুয়ালে ঘুরেন টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া এবং বান্দরবন থেকে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত। যিনি একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শক্তির একজন ভিশনারি সফল সংগঠক। তিনি আর অন্য কেউ নন, তিনি হলেন তারণ্যের অহংকার, দেশনায়ক তারেক রহমান। আজ তাঁহার ৫৮তম জন্মবার্ষিকীতে জানাই “শুভ জন্মদিন” জনাব তারেক রহমান। অফুরন্ত শুভেচ্ছা ও শুভকামনা “।।।
স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর বেগম খালেদা জিয়া একজন গৃহবধূ থেকে জাতীয়তাবাদী দলের কান্ডারী সেজে তাঁহার কর্মদক্ষতায় সঠিক নেতৃত্বে আপোষহীন নেত্রীতে ভূষিত হয়ে তিন তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করে জনপ্রিয়তার উচ্চে থাকায় ফ্যাসিষ্ট সরকারের প্রতিহিংসায় আজ ৭৭ বয়সে তিনি কারাবন্দী।
এদিকে আপনি তারেক রহমান আপনার বাবা- মায়ের পাশে থেকে জিয়া পরিবারের সুযোগ্য উত্তরসূরী হয়ে বহু কন্টাকাকীর্ণ পথ অতিক্রম করে তরুণ নেতা হিসাবে বাংলাদেশের দেশের জাতীয়তাবাদী উন্নয়নের স্রোতধারার এক কান্ডারী হতে চলেছেন।

দলকে সংগঠিত করার জন্য, আপনি আপনার পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে ছুটে বেরিয়েছেন দেশের প্রান্ত থেকে প্রান্তর । কখনও ছুটে গেছেন দিন মজুর কৃষকের কাছে, কখনও চলে গেছেন ছাত্র শিক্ষকের কাছে, আবার কখনও তৃণমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে বনভজজনে বেরিয়ে গেছেন খোলা আকাশের নিচে। ঘুরেছেন বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইল।
আর আজ ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা লোভী সরকারের হাতে নিপীড়িত নির্যাতিত হয়ে বহু বন্ধুর পথ অতিক্রম করে
সুদূর প্রবাস থেকে দিনকে রাত আর রাতকে দিন করে, দলকে সংগঠিত করার লক্ষ্যে প্রতিদিন ই একটা না একটা ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান করে যাচ্ছেন। এখানেই শেষ নয়, তৃনমুল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে প্রতিদিন অজস্রবার বিভিন্ন ওয়ে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। আজ আপনারই নেতৃত্বে জাতীতাবাদী দল সংগঠিত। এ যেন আরেক জিয়া! করে নতুন আলোর মুখ দেখাচ্ছেন। মানুষ এখন জাগছে, দিকে দিকে মানুষ জেগে উঠছে। নতুন জিয়াকে মানুষ দেখছে। যুব সম্প্রদায় ও সাধারণ মানুষ ঝাঁকে ঝাঁকে সমাবেশে যোগ দিচ্ছে। প্রতিটি বিভাগীয় গণ -সমাবেশ মহা -সমাবেশে রুপান্তরিত হচ্ছে।
জাতি অবগত এ সবের মূলে আপনার অক্লান্ত পরিশ্রম ও আপনার স্ট্যাটেজি।
ইতিহাস বলে, এইদেশ বার বার সংকটে পড়েছে। এদেশের গণতন্ত্র কে বার বার আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে। বার বার গণতন্ত্রকে ধংস করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, একমাত্র বিএনপি অর্থাৎ জিয়া পরিবারই বার বার এদেশকে সংকট থেকে উদ্ধার করেছে। জিয়া পরিবারই গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছে, গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রবর্তনও করেছে।
আপনারই পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে এবং সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন হয়েছে।
আর আপনারই মাতা, দেশমাতা আপোষহীন নেত্রী তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছে এবং এ দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন হয়েছে।
দেশ এখন মহাসঙ্কটে। এখন আপনার পালা। এদেশের মানুষ জানে জিয়া পরিবার ব্যতিত সঙ্কট উদ্ধার হয় না।
তাই আপনাকেই বাংলার আরেক রাখাল রাজা হতে হবে। দ্বিতীয় জিয়া হতে হবে। আরেকটি পতন আপনার অপেক্ষায়।
আমি মেজর জিয়া বলছি,” সেই দৃঢ় ইস্পাত কঠিন আওয়াজ জাতিকে দিয়েছিল সাহস, নিশ্চয়তা, ও গন্তব্যস্হান। তাই আপনাকেও প্রস্তুত হতে হবে। প্রয়োজন হবে সময় মত আরেকটি আওয়াজ।
জাতি আপনার দিকে অধীর আগ্রহে তাকিয়ে আছে।
ইনশাআল্লাহ আপনার হাত ধরেই বাংলাদেশ স্বাধীন হবে। মানুষ মুক্ত হবে। দেশের মালিকানা ফেরত পাবে। এবং আপনিই হবেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনায়ক।
পরিশেষে আবারও “শুভ জন্মদিন ” ও শুভকামনা।
লেখক ঃ
সায়েক এম রহমান
উপদেষ্টা সম্পাদক
জনতার আওয়াজ













