বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, বর্তমান অনির্বাচিত সরকার বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের সহকারী অধ্যাপকসহ ষষ্ঠ গ্রেডে পদোন্নতির ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী দ্বারা দেশপ্রেমিক চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচয় নিরূপণে সরকারি দলের লেজুড়বৃত্তিকারী চিকিৎসকদের পদোন্নতির পথ সুগম করছে।
সোমবার (২৮ নভেম্বর) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানান বিএনিপর ওই স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক।
ডাঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, মেধাবী দেশপ্রেমিক চিকিৎসকদের একাডেমিক যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে দূরভিসন্ধিমূলক কর্মকান্ড চালাচ্ছে সরকার ।এতে করে আসল যোগ্য এবং মেধাবী চিকিৎসকরা পদোন্নতি পেতে ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে দেখা হচ্ছে ওই চিকিৎসকরা আওয়ামী লীগের চিকিৎসক সংগঠন স্বধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর সদস্য কিনা ।
রফিকুল ইসলাম আরো বলেন, সাধারণ চিকিৎসকরা অথবা ভিন্ন মতাবলম্বীদের কে পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে দেখা হচ্ছে তারা উক্ত সংগঠনের সদস্য কিনা যদি তারা সদস্য না হন তাহলে তাদের নামে নেগেটিভ রিপোর্ট দিয়ে পদোন্নতি আটকে দিচ্ছে। যার ফলে দেশের মেধাবী চিকিৎসরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।
তিনি উল্লেখ করে বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশে থেকে মেধাবী চিকিৎসকের পরিবর্তে মেধাহীন অযোগ্যরা স্বাস্থ্য খ্যাতকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে নিয়ে যাবে এবং এসব লেজুড়বৃত্তির কারণে রোগীদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা বাড়ার পাশাপশি বিদেশমুখিতা বাড়বে।
উল্লেখ্য, এর আগে তৃতীয় গ্রেডের অধ্যাপকের ক্ষেত্রে পুলিশ বেরিফিকেশন চালু ছিল । যেহেতু তৃতীয় গ্রেড ধারীরা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে পারেন সেক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন এর মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হত কিন্তু বর্তমান পদোন্নতির প্রতিটি ধাপে এ যাচাই-বাছাইয়ের নামে মেধাবী চিকিৎসকদের পদোন্নতি আটকানোর অপকৌশল করা হচ্ছে।
বিএনপির ওই স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বলেন, সরকার দ্রুত এ ধরণের হয়রানি বন্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।

