আমিরুল ইসলাম কাগজী
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
বুধবার, ডিসেম্বর ৭, ২০২২, দুপুরে, রাজধানীতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটোয়া পুলিশ বাহিনীর বর্বর হামলার পর লন্ডন থেকে ভিডিয়ো কলে নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আকস্মিক হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে নেতাকর্মীরা যাতে মনোবল না হারিয়ে ধৈর্যসহকারে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারে সেজন্য তিনি পরামর্শ দিয়েছেন। বুধবার বিকেলের হামলায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মকবুল হোসেন নিহত হন এবং বহু নেতাকর্মী আহত হন। এরই মধ্যে ওয়ারীতে যুবদল নেতা ফয়সাল মাহবুব মিজুর বাসায় ঢুকে তার পিতাকে হত্যা করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা। ফয়সাল মাহবুব মিজুর সাথে কথা বলেছেন তারেক রহমান।
বুধবার বিনা উস্কানিতে পুলিশ নয়াপল্টনে হামলা চালিয়ে বিএনপি অফিসসহ গোটা এলাকা কর্ডন করে রাখে। এসব ঘটনা অনলাইনে দেখার পর থেকে তারেক রহমান দেশের সব নেতাকর্মীদের খোঁজ খবর নেন। তাঁর সহকারীদের মাধ্যমে জানা যায় যে, তিনি ঘটনার পর থেকেই নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের সাথে সংযুক্ত ছিলেন। তিনি জানেন বিএনপির নেতাকর্মীরা আজ তাঁর দিকনির্দেশনার অপেক্ষায় আছেন। আকস্মিক পুলিশি হামলা, যুবলীগের হেলমেট বাহীনির সশস্ত্র মহড়া এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের আচরণে ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র, অবরুদ্ধ বাকস্বাধীনতা। এমন পরিস্থিতে নেতার সুচিন্তিত নির্দেশনা অতীব জরুরি যেটা তিনি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেন।
ইতোপূর্বে দেখা গেছে তাঁর নির্দেশনায় অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর, রংপুর, কুমিল্লা, সিলেট ও রাজশাহীতে নয়টি গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাধা ছিলো, হুমকি ছিলো, গায়েবি মামলা ছিলো কিন্তু নেতার প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা সব প্রতিবন্ধকতাকে তুচ্ছ জ্ঞান করেছে কর্মীরা। তারা জীবন সপে দিয়েছে নেতার নির্দেশে।
শনিবার, ডিসেম্বর ১০, ২০২২, ঢাকার মহাসমাবেশ যে কোনো মূল্যে সফল করতে হবে কিন্তু স্থান নির্ধারিত না হওয়ায় হতাশ হতে পারে নেতাকর্মীরা। তাদের মনোবল দৃঢ় করতে প্রবাসী নেতা কিছুক্ষণ পরপর তাদের সাথে কথা বলছেন। এই লেখার তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন বিএনপি মিডিয়া কমিটির সদস্য ও দিনকালের বিশেষ প্রতিনিধি কালাম আজাদ।

