• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

শর্ত দিয়ে ডেটা সুরক্ষা আইন হলে কিছু আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশের বাজার ছাড়তে বাধ্য হবে

প্রকাশ: রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ৮:৩৩
আপডেট: রবিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ৮:৩৩

শর্ত দিয়ে ডেটা সুরক্ষা আইন হলে কিছু আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশের বাজার ছাড়তে বাধ্য হবে

খসড়া ডেটা সুরক্ষা আইন অনলাইন ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেছেন, ডেটা স্থানীয়করণের প্রয়োজনীয়তাকে কঠোরভাবে অনুসরণ করার শর্ত দিয়ে ডেটা সুরক্ষা আইন হলে কিছু আমেরিকান কোম্পানি বাংলাদেশের বাজার ছাড়তে বাধ্য হবে। একইভাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি করা কনটেন্ট বা বিষয়বস্তুর কারণে অপরাধের দায় নিয়ে ফৌজদারি আইনের মুখোমুখি হলে এ খাতে বিনিয়োগ কমে যাবে।

অনলাইন উন্মুক্ত ও স্বাধীন হতে হবে এমন মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, তা না হলে বাংলাদেশের অনলাইন ব্যবসা ও সেবার উপর জন্য খুবই নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। প্রায় ২ হাজারেরও বেশি স্টার্টআপকে ব্যবসা ছেড়ে দিতে হতে পারে। এবং প্রতিদিন যে কোটি কোটি বাংলাদেশী ব্যবহারকারী তাদের সেবা নিচ্ছেন তারা আর এই সেবাগুলো পাবেন না।

আজ রোববার রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে অনলাইন স্বাধীনতা ও ব্যবসায় বিনিয়োগ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে পিটার হাস এসব কথা বলেন। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কান্ট্রি ডিরেক্টর তুওমো পাউটিয়ানেন, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ও ওরাকল বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর রুবাবা দৌলা।

উন্নয়ন ও নিরাপত্তা কোনভাবেই গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ঊর্ধ্বে স্থান পেতে পারে না। এই মূল্যবোধগুলো আসলে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ও একে অন্যকে শক্তিশালী করে। মানবাধিকারের সুরক্ষা এবং গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা একটি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও টেকসই করে এবং সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

তিনি ডেটা সুরক্ষা আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদন্ড, অর্থনৈতিক সংযোগ এবং ব্যক্তিগত অধিকারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার সুপারিশ করেন। এবং এ ব্যাপারে অংশীজনদের পরামর্শ ও মতামত নেওয়ার উপর গুরুত্ব দেন।

বাংলাদেশের ডিজিটাল যুগে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওযা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন জানিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, এই শতকে ডিজিটাল বিশ্বে বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করতে চায় এটা স্পষ্ট। অনলাইন বিশ্বে প্রচুর সুযোগের পাশাপাশি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশ্বের সব জায়গাতেই সরকারকে অবশ্যই অনলাইন ও এর সাথে যুক্ত থাকা ব্যবহারকারীর ডেটাকে দায়িত্বশীলতার সাথে পরিচালনা করার পাশাপাশি মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা করায় সচেষ্ট থাকতে হবে। কারণ সমালোচনা গ্রহণ করার সক্ষমতা এবং অপ্রীতিকর বক্তব্য হলেও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করা শক্তিশালী গণতন্ত্রের বৈশিষ্ট্য।