• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

দৈনিক সময়ের পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা খন্দকার মাহবুব হোসেনের স্মরণে শোকসভা ও মিলাদ

প্রকাশ: সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১১:০৩
আপডেট: সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ১১:০৩

দৈনিক সময়ের পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা খন্দকার মাহবুব হোসেনের স্মরণে শোকসভা ও মিলাদ

প্রবীণ আইনজীবী, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সাবেক সফল ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক চারবারের সভাপতি, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেনের রুহের মাগফেরাত কামনায়। দৈনিক সময়ের পত্রিকা অফিসে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, বাদ আসর দৈনিক সময়ের পত্রিকা’র উদ্যোগে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। গনমাধ্যমের সাথে সংশ্লিষ্ট এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া মাহফিল উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া ও শোকসভায় দৈনিক সময়ের পত্রিকার, সম্পাদক ও প্রকাশক এইচ.এম.বিল্লাল হোসেন রাজুর সভাপতিত্বে, অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক সময়ের পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মঞ্জুর হোসেন ঈসা, প্রধান আলোচক ছিলেন দৈনিক সময়ের পত্রিকার উপদেষ্টা ও খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক খন্দকার মহিদুল ইসলাম মোর্শেদ, বিশেষ অতিথি ছিলেন মুসলীম লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবী,এ্যাড.আবুবকর সিদ্দিক সহ প্রমূখ।

প্রবীণ আইনজীবী, আলহাজ্ব এ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেন। গত ৩১ ডিসেম্বর রাত পৌনে ১১ টায় রাজধানীর, এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। এরপরে ১ জানুয়ারি বসুন্ধরায় প্রথম জানাযা, দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয় মিরপুরে খন্দকার মাহবুব হোসেন চক্ষু হসপিটালে। তৃতীয় জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয় বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে, চতুর্থ জানাজা সুপ্রিম কোর্টে তার জানাজা সম্পন্ন হয়।২ জানুয়ারি খিলগাঁও চৌধুরীপাড়া মাটির মসজিদে সর্বশেষ জানাজা শেষে, আজিমপুরে পারিবারিক করবস্থানে মরহুমের দাফন সম্পন্ন হয়।

খন্দকার মাহবুব হোসেন ১৯৩৮ সালের ২০ মার্চ বরগুনা জেলার, বামনা উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা খন্দকার আবুল হাসান ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ, ১৯৫৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৬৪ সালে আইন পাস করে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হন।

১৯৮৮ সালের ১৭ জুলাই তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হন, তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি পদে চারবার নির্বাচিত হয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুইবার নির্বাচিত হন, ব্যক্তিগত জীবনে বিয়ে করেছেন অধ্যাপিকা ফারহাত হোসেনকে। দুই ছেলে ও এক কন্যা সন্তানের জনক তিনি। আইনজীবী হিসেবে তিনি অসংখ্য যুগান্তকারী মামলা পরিচালনা করেছেন।