মকবুল হোসেন ডিম বিক্রি করছিলেন ৩০ টাকা হালিতে। দুটি ১৫ টাকা। শুনে আশ্চর্য হচ্ছেন! হতেই পারেন। ঢাকায় ডিমের হালি যেখানে ৪৫ টাকা, কোথাও কোথাও ৫০ টাকা, সেখানে মকবুল হোসেন কীভাবে ৩০ টাকা হালিতে বিক্রি করতে পারেন।
আপনাকে আরেকটু অবাক করে দিয়ে বলি, মকবুল হোসেনের দোকানে ২০ টাকা হালি দরেও ডিম পাওয়া যায়। তবে সেই ডিম বিক্রি হয় পলিথিনের ব্যাগে, খোসা ছাড়া। যেসব ডিম পুরোপুরি ফেটে যায়, সেগুলোর কুসুম কোনোরকমে পলিব্যাগে ভরে বিক্রি করেন মকবুল। ৩০ টাকা হালিতে যে ডিম বিক্রি হয়, সেটাও ফেটে যাওয়া। তবে কুসুম বেরিয়ে যায়নি।
৪৫ টাকা হালিতে ডিম কেনার সামর্থ্য যাঁদের নেই, তাঁরাই মকবুল হোসেনের দোকান থেকে ফেটে যাওয়া ডিম কেনেন। কারও কারও হয়ত দুটি ডিমে আজ শুক্রবার দুপুরে পাতে প্রাণিজ আমিষের সংস্থান হবে।

