সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকায় কেনা দেড় লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) অধিকাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। ৪০ হাজার ইভিএম স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়েছে। অবহেলা ও অযত্নের কারণে ইভিএমগুলো ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পরিস্থিতির জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) দায়ী। মাঠ পর্যায়ে চটের বস্তা আর নোংরা জায়গায় ইভিএমগুলো সংরক্ষণ করা হয়। তাছাড়া মেশিনগুলো উপযুক্তভাবে ভোটে ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে, অনেক ইভিএমের নম্বর প্লেটও মুছে গেছে। কিছু ইভিএমের ভেতরে পানি ঢুকেছে। এ ছাড়া উইপোকা ও তেলাপোকা নষ্ট করেছে অনেক মেশিন।

