আগুনে দোকানের মালামালের পাশাপাশি পুড়ে গেছে নগদ টাকাও। ঈদকে সামনে রেখে অনেকে ঋণ নিয়ে বাড়তি পুঁজি খাটিয়েছিলেন ব্যবসায়। সেই ঋণের দায় শঙ্কায় ফেলেছে ব্যবসায়ীদের।
বঙ্গবাজারের কাঠের মার্কেটের পুড়ে যাওয়া দোকানের স্মৃতিচিহ্ন বলতে শুধু কয়লা আর ছাই। ঈদ উপলক্ষে এই ব্যবসায়ীদের অনেকে ব্যাংক, সমিতি ও আত্মীয়স্বজন থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় লগ্নি করেছিলেন। তাঁদের দাবি, সব হারিয়ে এখন তাঁদের কাঁধে ঋণের বোঝা। ঋণের এ বোঝা কীভাবে কমাবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ঋণগ্রস্ত বেশির ভাগ ব্যবসায়ী।
গতকাল মঙ্গলবার ভোরে অগ্নিকাণ্ডের পর ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁদের বড় শঙ্কা—এখন নতুন করে ব্যবসা শুরুর জন্য এই জায়গা ফিরে পাবেন কি না। অনেকের ধারণা, পুড়ে যাওয়া জায়গায় তাঁদের আর বসতে দেওয়া হবে না। তবে নিঃস্ব হয়েও নতুন করে আবার ব্যবসায় ফিরতে চান তাঁরা। সে জন্য সরকারের সহায়তা চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
বঙ্গবাজারে ৩৮ বছর ধরে ব্যবসা করছেন উল্লেখ করে এন এম সিল্ক হাউসের মালিক মো. নুরুন্নবী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার তিনটি দোকানে সাড়ে চার কোটি টাকার মালামাল ছিল। ব্যাংকের ঋণ ছিল সাত লাখ টাকা। ঈদ উপলক্ষে আত্মীয়স্বজন থেকে ৮৫ লাখ টাকা ধার করে দোকানে মালামাল তুলেছিলাম। যাঁদের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, তারা হয়তো এক-দুই মাস ধৈর্য ধরবেন। এরপর কেউ মানতে চাইবেন না, টাকা ফেরত চাইবেন। কী করে এ টাকা ফেরত দেব?’

