কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন চান্দিনা এলডিপির ৯ নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন। আজ বুধবার কুমিল্লার নিম্ন আদালতে জামিনের জন্য হাজির হলে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন—চান্দিনা উপজেলা গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন সাক্কু, গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব ভূঁইয়া, উপজেলা এলডিপির সদস্য শাহ আলম মজুমদার, শাহজাহান মজুমদার, আল আমিন, কাওসার, ইয়াসিন, রফিকুল ইসলাম ডন ও শওকত।
এলডিপি প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ এবং মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমদ বিবৃতিতে দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারে নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছেন।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা দাবি আদায়ের জন্য সারা দেশে জেলায় জেলায় পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি—এলডিপিও প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বৃহত্তর কুমিল্লা, বরিশাল এবং খুলনা বিভাগ ছাড়া অন্যন্য বিভাগের ১০ দফার সমর্থনে কর্মসূচি ঘোষণা করে। ২৫ ফেব্রুয়ারিতে এলডিপি ঘোষিত পদযাত্রা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় এবং ২৫ ও ২৬ তারিখ প্রকাশিত দেশের প্রায় সব জাতীয় দৈনিকের প্রিন্ট এবং অনলাইনে জেলাভিত্তিক ছবিসহ খবর প্রচারিত হয়।
এ প্রসঙ্গে এলডিপি নেতা আবু তাহের বলেন, সেদিন বিএনপি কর্মসূচি পালন করেছে এলডিপির কেন্দ্রে নির্দেশনা না থাকায় চান্দিনা বা বৃহত্তর কুমিল্লায় কোনো ধরনের কর্মসূচি পালন করা হয়নি। এটা একটা ভুতুড়ে গায়েবি মামলা। মূলত ড. রেদোয়ান আহমেদের জনপ্রিয়তায় ঈর্ষানিত হয়ে, বিনা ভোটের এমপি ডা. প্রাণ গোপালের নির্দেশে ওসি এলডিপির নেতাকর্মীর নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে। প্রকৃতপক্ষে এলডিপির কোনো নেতাকর্মী এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।
প্রসঙ্গত, ওই মামলায় তারা চার সপ্তাহের জন্য হাইকোর্ট থেকে জামিন পায়। উচ্চ আদালতের নির্দেশক্রমে মঙ্গলবার নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করে। আদালত জামিন না দিয়ে করে কারাগারে পাঠায়।

