• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

খোলা আকাশের নিচে মাথায় হাত বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীদের

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩ ৮:৫৩
আপডেট: মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৩ ৮:৫৩

খোলা আকাশের নিচে মাথায় হাত বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীদের

ঈদ ঘিরে জমজমাট পাইকারি বেচাকেনা চলত রাজধানীর বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের দোকানগুলোতে; কিন্তু এবার অগ্নিকাণ্ডের পর পাল্টে গেছে বঙ্গবাজারের চিত্র। খোলা আকাশের নিচে চৌকিতে ছাতা পেতে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। প্রচণ্ড গরমে সেখানে বসা অনেক কষ্টকর হলেও শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা; কিন্তু তাতেও ক্রেতাদের দেখা নেই। এদিকে মার্কেট কমিটির কোনো সহায়তা পাননি বলেও অভিযোগ করছেন তারা।

গত ৪ এপ্রিল ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুরো বঙ্গবাজার পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের অধীন চারটি মার্কেটের প্রায় ৩ হাজার দোকান পুড়ে যায়। পথে বসেন হাজার হাজার ব্যবসায়ী। এরপর আগুনের ধাক্কা কাটিয়ে গত ১২ এপ্রিল থেকে বঙ্গ ও গুলিস্তান মার্কেটের জায়গায় চৌকি পেতে বেচাকেনা শুরু করেন ব্যবসায়ীরা; কিন্তু আদর্শ ও মহানগরের ব্যবসায়ীরা এখনো দোকানের জায়গায় বসতে পারেননি। যারা দোকান নিয়ে বসেছেন তারাও পাইকারি ক্রেতা পাচ্ছেন না। তাই ঈদের আগে শুরু করেছেন খুচরা বেচাকেনা।

গতকাল সোমবার দুপুরে বঙ্গবাজারে গিয়ে দেখা গেছে, অল্প কিছু পণ্য নিয়ে চৌকি পেতে বসেছেন ব্যবসায়ীরা; কিন্তু সেখানে বলতে গেলে ক্রেতাশূন্য অবস্থা। দু-একটি দোকানের সামনে খুচরা ক্রেতারা জামা-কাপড় নেড়ে দেখছেন। তাতে অবশ্য বিক্রেতাদেরও আগ্রহ কম। এদিকে রোদের তাপে হাঁসফাঁস করছেন দোকান কর্মীরা।

কালবেলা পত্রিকা অনলাইনের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ব্যবসায়ীরা জানায়, যাদের মার্কেটের বাইরে গোডাউন বা কারখানায় কিছু মালপত্র ছিল তারাই নতুন করে দোকান দিয়ে বসেছেন। আবার অনেকে দোকানের জায়গা ঠিক রাখতে নতুন কিছু মালপত্র কিনে অস্থায়ী দোকান বসিয়েছেন। তবে বিক্রি খুব একটা হচ্ছে না। বঙ্গবাজার ঢুকতেই প্রথমে নিউ খান ফ্যাশন নামে একটি দোকানের ব্যানার চোখে পড়ে। চৌকির পাশে কাপড় দিয়ে বেড়া দিয়ে দোকান ঘরের মতো বানানো হয়েছে। কথা হয় দোকানের ম্যানেজার জহিরুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি জানান, তার মালিকের একই নামে ১৭৪২, ১৭৪৩ ও ১৯১২ নম্বরের দোকান ছিল; কিন্তু এখন চৌকি পেতে বিক্রির জন্য বসেছেন তারা। আগে যেখানে দিনে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা বিক্রি হতো, এখন সেখানে খুচরা ও পাইকারি মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বিক্রি হয়।

আরেক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গির আলম জানান, গতবছর এই সময়ে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই লাখ টাকা বিক্রি হতো। সারা বছরের মূল ব্যবসাই হয় এই ঈদ আর শীতের সময়ে; কিন্তু এবার ঈদ উপলক্ষে দোকানে যা মালপত্র তুলেছিলেন তার সব-ই পুড়ে গেছে। এ ছাড়া গোডাউনেও কিছু মালপত্র ছিল, সেগুলো নিয়েই এখন চৌকি পেতে বসেছেন। তিনি বলেন, বেচাকেনা নেই বললেই চলে। তবুও গরমে কষ্ট করে বসে থাকি, কিছু বেচাবিক্রি হলে কর্মচারীদের বেতন দিতে পারব। দিনে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা করে খুচরা বিক্রি হচ্ছে। গতকাল সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকার মাল বিক্রি করেছি। মার্কেট সমিতির কোনো সহায়তা পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর খাবার সমাগ্রী উপহার ছাড়া আর কিছুই পাইনি। শুনেছি অনেকে ব্যবসায়ীদের অনুদান দিয়েছে, তবে আমরা এখনো কিছুই পাইনি।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com