• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে বিদেশিদের পরামর্শের দরকার নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: বুধবার, ১০ মে, ২০২৩ ৪:১২
আপডেট: বুধবার, ১০ মে, ২০২৩ ৪:১২

নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে বিদেশিদের পরামর্শের দরকার নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে বিদেশিদের পরামর্শের দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, সব দল না চাইলে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচন ও গণতন্ত্র নিয়ে বিদেশিদের পরামর্শের দরকার নেই। সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সরকার বদ্ধপরিকর।

বুধবার (১০ মে) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলনে এসব বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

আগামী ১২ ও ১৩ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামী ১২-১৩ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ইন্ডিয়ান ওশেন কনফারেন্স। এ সম্মেলন উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে যোগ দেবেন মরিশাসের প্রেসিডেন্ট, মালদ্বীপের ভাইস প্রেসিডেন্ট, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩৮ দেশের প্রতিনিধি। তবে কৌশলগত কারণে ইন্ডিয়ান ওশেন কনফারেন্সে মিয়ানমারকে আমন্ত্রণ জানায়নি বাংলাদেশ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, মরিশাসের রাষ্ট্রপতি ১১ থেকে ১৩ মে পর্যন্ত থাকবেন। এটাই মরিশাসের রাষ্ট্রপতির প্রথম সফর। মিয়ানমারকে দাওয়াত দেয়া হয়নি। কারণ তাদের সরকারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। তবে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হতে পারে। রোহিঙ্গাদের ফেরাতে দ্বিপাক্ষিক-ত্রিপাক্ষিক নানা আলোচনা চলছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি অনেক বেশি, এটা গর্বের বিষয়। সরকার স্বচ্ছ ও স্বাধীন সুন্দর নির্বাচন করতে চায়। তবে সরকার চাইলেই হবে না। এখানে সব রাজনৈতিক দলের অংশীদারিত্ব দরকার। কোথাও তা নিয়ে বলাবলি করে কোনো লাভ হবে না। এক সময় দুষ্টু কিছু লোক নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। তবে তা এখন নেই।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন চাইলেও স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের গ্যারান্টি হয়তো দেয়া সম্ভব হবে না। স্বচ্ছ ও সুন্দর নির্বাচনের জন্য সরকারি-বেসরকারি সকল দলের প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। দলকেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে যে, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন করবো, সহিংসতামুক্ত নির্বাচন করবো।