• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

ট্রেড কোর্সের প্রশিক্ষণ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাখার দাবি

প্রকাশ: শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩ ৩:০৯
আপডেট: শনিবার, ১৩ মে, ২০২৩ ৩:০৯

ট্রেড কোর্সের প্রশিক্ষণ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাখার দাবি

জাতীয় দক্ষতামান বেসিক (৩৬০ ঘণ্টা) বা তিন-ছয় মাস মেয়াদি ট্রেড কোর্সের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাখার দাবি জানিয়েছে ‘শর্ট কোর্স ঐক্য পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন।

শনিবার (১৩ মে) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরম খাঁ হলে সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানান সংগঠনটির নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শর্ট কোর্স ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক মো. নাসির উদ্দিন ভূঞা বলেন, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১৯৬৭ সাল থেকে ৩৬০ ঘন্টা মেয়াদি জাতীয় দক্ষতামান বেসিক শর্ট কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ৩ হাজার ৫৩৮টি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শর্ট কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। ১২০টি ট্রেডে বছরে প্রায় দুই লাখ শিক্ষার্থী শর্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকে। এর মধ্যে নারীর সংখ্যা ৩৩ শতাংশ। কারিগরি শিক্ষার এনরোলমেন্ট বৃদ্ধিতে জাতীয় দক্ষতামান বেসিক ট্রেড কোর্সগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তিনি আরো বলেন, গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, দ্রুত সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত ৩-৬ মাস মেয়াদি কোর্সগুলো জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) ছাড়া অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে পারবে না। এতে আমরা অত্যন্ত ভীত-সন্ত্রস্ত। কারণ ২০১৮ সালে এনএসডিএ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে মাত্র ৫-৬টি ট্রেড বা অকুপেশনে এনটিভিকিউএফ লেভেল নিয়ে কাজ করছে। অপরদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত জাতীয় দক্ষতামান বেসিক (৩৬০ ঘণ্টা) মেয়াদি ১২০টি ট্রেড বা অকুপেশন নিয়ে কাজ করছে।

তিনি আরো বলেন, ৩৬০ ঘণ্টা মেয়াদী কোর্সটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে বন্ধ করলে এনএসডি এর অধীনে প্রতিষ্ঠানগুলো প্রশিক্ষার্থী স্বল্পতায় পড়বে৷ পাশাপমি দেশের কারিগরি শিক্ষার হার মুখ থুবড়ে পড়বে। এতে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত এনরোলমেন্ট বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যহত হবে। তাই এই শর্ট কোর্সটি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে রাখার দাবি জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন শর্ট কোর্স ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক মো. আফসার আলী, মো. মোস্তাফিজার রহমান, শামীম আরা বেগম, মো. মুনিরুজ্জামান আকন, মো. জাকির হোসেন স্বপন প্রমুখ।