জবি প্রতিনিধি
রাজশাহীতে বিএনপির এক সমাবেশে আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’কে হত্যার হুমকি এবং কবরস্থ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রলীগ।
সোমবার দুপুর ১২ টায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস শহীদ মিনার থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের করেন জবি ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এসময় মিছিলটি পুরান ঢাকার জর্জ কোট, রায়সাহেব বাজার হয়ে এসে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
উক্ত প্রতিবাদ মিছিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনসহ প্রায় তিনশতাধিক ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন। এসময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা স্লোগান এবং প্রতিবাদী শব্দে ফেটে পড়েন।
প্রতিবাদ মিছিল শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী বলেন, বিএনপির নেতা আবু সাইদ চাঁদ আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছে। আমরা ছাত্রসমাজ এর তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যদি অতি দ্রুত ঐ কুলাঙ্গারকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় না আনে, তাহলে আমরা ছাত্রসমাজ হাত ঘুটিয়ে বসে থাকবো না এবং তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলবো।
এসময় জবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন,আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ স্পষ্ট বলতে চাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথ মসৃণ রাখার জন্য আমরা রক্ত দিতে সর্বদা প্রস্তুত। বিএনপি -জামায়াতের ষড়যন্ত্র আমরা বেঁচে থাকতে বাস্তবায়ন হতে দিবো না। অনতিবিলম্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে হত্যার হুমকি দাতা আবু সাইদ চাঁদকে বিচারের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে যাতে এধরণের ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস কিংবা স্বপ্ন যাতে কেউ দেখতে না পারে।
উল্লেখ্য গত ১৯ মে রাজশাহীর পুঠিয়া এক জনসভায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ বলেন, আর ২৭ দফা ১০ দফা নাই। এক দফা শেখ হাসিনাকে কবরস্থানে পাঠাতে হবে এবং শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে যা যা করার দরকার আমরা তা করবো।
তাছাড়া একই কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ মে (রবিবার) রাতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান সহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রলীগ সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে প্রতিবাদ মিছিল করা হয়। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আবু সাইদ চাঁদ কে গ্ৰেফতার করার ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।

