• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

মার্কিন নতুন ভিসা নীতি সরকারের শেষ পরিণতির পূর্বমুহূর্ত : এ্যানি

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০২৩ ১:৫০
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০২৩ ১:৫০

9856523

মার্কিন নতুন ভিসা নীতি সরকারের শেষ পরিণতির পূর্বমুহূর্ত : এ্যানি

ডেস্ক নিউজ
বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন সামনে রেখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতি প্রসঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনকে যারা নষ্ট করেছে, এটা তাদের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা। দেশের বাইরে-ভেতরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। বহির্বিশ্ব থেকে সরকারকে সতর্ক করেছে। কিন্তু সরকার তো কারও কথা শুনছে না। তারা তাদের দৌরাত্ম্য ও লম্ফঝম্প অব্যাহত রেখেছে। সুতরাং যে জিনিসটা এসেছে, সেটা তাদের শেষ পরিণতির পূর্বমুহূর্ত বা লক্ষণ। গতকাল বুধবার রাতে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন এ্যানি।

তিনি বলেন, এই সরকার সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হামলা-মামলা অব্যাহত রেখেছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে শত শত, হাজার হাজার অজ্ঞাত নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। আমি মনে করি, মার্কিন যে ভিসা পলিসি, এটা তো ভিসা স্যাংশনই বলা যায়। কারণ, একটি পরিবারের যদি পাঁচজন হয়, তাহলে পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে আরও পাঁচজন। এভাবে অজ্ঞাত বলতে বলতে আরও অনেকেই জড়িয়ে যাবেন। এটা তো বড় ধরনের স্যাংশন।

এ্যানি বলেন, আজকে গণতান্ত্রিক সরকার হলে এটার জোরালো প্রতিবাদ করতে পারত। অবশ্য গণতান্ত্রিক সরকার হলে সেটা (ভিসা নীতি) আসতও না। আসলে তাদের প্রতিবাদ করার মতো কোনো অবস্থান নেই। কারণ, তাদের সঙ্গে জনগণ নেই। এ মুহূর্তে তাদের উচিত অবৈধ সংসদ ভেঙে দিয়ে পদত্যাগ করা। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে রক্ষা করা এবং জাতিকে রক্ষা করা। যদি তা না হয়, তাহলে শেষ পরিণতি ভালো না।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৪ বা ২০১৮ নয়, ২০০৮ সাল থেকেই আওয়ামী লীগ আজকের অবস্থানে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেনাসমর্থিত সরকারের কাছ থেকেই তারা এই সাহসটা পেয়েছে। তারা আবারও আরেকটা নির্বাচনের জন্য লম্ফঝম্প দিচ্ছে। তারা হুংকার দিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের সভা-সমাবেশ প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছেন। গত মঙ্গলবার ঢাকায় আমাদের মিছিলে কিছু পুলিশ দিয়ে হামলা করেছে। তারা মনে করেছে, নির্বাচনের আগে সবাইকে ধরে ফেলবে; গুম-খুন করবে। তারা যা বলবে, সেটাই বাংলাদেশের আইন ও নির্বাচন। সুতরাং এই সমস্ত পরিস্থিতি বন্ধ হওয়ার মতো একটা অবস্থান আজকে আন্তর্জাতিকভাবে হচ্ছে। দেশেও আন্দোলন হচ্ছে। নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে গেছে। সাধারণ জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে। সবশেষে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমেই আমাদের দাবি আদায় করে নিতে হবে। এ জন্য আমরা খুবই কঠোরভাবে মাঠে প্রস্তুত।

শেষ পরিণতির পূর্ব মুহূর্ত

বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে নতুন একটি ভিসা নীতি ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে গতকাল বুধবার রাতে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি কালবেলাকে বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনকে যারা নষ্ট করেছে, এটি তাদের জন্য বড় নিষেধাজ্ঞা।

দেশের বাইরে ও ভেতরে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। বহির্বিশ্ব থেকে সরকারকে সতর্ক করেছে। কিন্তু সরকার তো কারও কথা শুনছে না। তারা তাদের দৌরাত্ম্য ও লম্ফঝম্প অব্যাহত রেখেছে। সুতরাং যে জিনিসটা এসেছে সেটি তাদের শেষ পরিণতির পূর্ব মুহূর্ত বা লক্ষণ।

এ্যানি বলেন, এই সরকার সারা দেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলা অব্যাহত রেখেছে। কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে শত শত হাজার অজ্ঞাতপরিচয় নেতাকর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। আমি মনে করি, মার্কিন যে ভিসা পলিসি—এটি তো ভিসা স্যাংশনই বলা যায়। কারণ, একটি পরিবারের যদি ৫ জন হয়, তাহলে পরিবারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে আরও ৫ জন। এভাবে অজ্ঞাতপরিচয় বলতে বলতে আরও অনেকেই জড়িয়ে যাবেন। এটি তো বড় ধরনের স্যাংশন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক বলেন, আজ গণতান্ত্রিক সরকার হলে এর জোরালো প্রতিবাদ করতে পারত। আসলে তাদের প্রতিবাদ করার মতো কোনো অবস্থান নেই। কারণ তাদের সঙ্গে জনগণ নেই। এই মুহূর্তে তাদের উচিত অবৈধ সংসদ ভেঙে দিয়ে পদত্যাগ করা। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে রক্ষা করা এবং জাতিকে রক্ষা করা। যদি তা না হয় তাহলে শেষ পরিণতি ভালো হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব বলেন, ২০১৪ বা ২০১৮ নয়, ২০০৮ সাল থেকেই আওয়ামী লীগ আজকের অবস্থানে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেনা সমর্থিত সরকারের কাছ থেকেই তারা এই সাহসটা পেয়েছে। তারা আবারও আরেকটা নির্বাচনের জন্য লম্ফঝম্প দিচ্ছে। তারা হুংকার দিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের সভা-সমাবেশ প্রতিহত করার ঘোষণা দিচ্ছেন। গত মঙ্গলবার ঢাকায় আমাদের মিছিলে পুলিশ দিয়ে হামলা করেছে। তারা মনে করেছে নির্বাচনের আগে সবাইকে ধরে ফেলবে, গুম-খুন করবে। তারা যা বলবে সেটিই বাংলাদেশের আইন। সুতরাং এসব পরিস্থিতি বন্ধ হওয়ার মতো একটা অবস্থান আন্তর্জাতিকভাবে হচ্ছে। দেশেও আন্দোলন হচ্ছে। নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে গেছে। সাধারণ জনগণ রুখে দাঁড়িয়েছে। সবশেষে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমেই আমাদের দাবি আদায় করে নিতে হবে। এজন্য আমরা খুবই কঠোরভাবে মাঠে প্রস্তুত।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com