• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

গতকাল একটি মামলার বিবরণ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩ ১২:৪০
আপডেট: মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩ ১২:৪০

গতকাল একটি মামলার বিবরণ

এ্যাড, শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস

প্রতিদিনের মত আজও গাযেবী ও মিথ্যা মামলায় আদালতে হাজিরা ছিলো। সপ্তাহের কর্মদিবস ৫দিনের প্রতিদিন একাধিক মামলায় সময়মত হাজিরা দিতে হয। কোন কারনে অনুপস্হিত হলে রক্ষা নেই,নির্ঘাত জামিন বাতিল করে জেল হাজত। ফলে কোটে হাজিরা নিশ্চিত করতে আইনজীবির তাগাদার পর তাগাদা। নিয়মিত প্রতিদিন সকাল ৮/৯ টার মধ্য আদালতে উপস্হিত হতে হয।তারপর জজকোট, স্পেশাল ট্রাইবুনাল, সন্ত্রাসদমন ট্রাইবুনাল, ম্যাজিষ্টেট কোটে হাজির হয়ে দিন শেষ হয়। মিথ্যা ও গায়েবী মামলার হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি ও জুলুমের শেষ দেখতে আগ্রহী বাংলাদেশ।

৯’অক্টোবর রমনা থানার এক গায়েবী(১৮(২)১৮) মামলার চার্জ শুনানী ছিলো। উল্লেখ্য আমি এ্যাড, শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস ঘটনার সময় পুলিশ কাস্টোডিতে আটক ছিলাম এবং এ্যাড, আহসান হাবিব বিদেশে চিকিত্সাধীন ছিলো।
পুলিশ বেআইনীভাবে আমাদের চার্জশিটভুক্ত করে এবং আদালতে উপস্হাপিত সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমান অগ্রাহ্য করায় প্রতীয়মান হয় মামলাটি সম্পূর্ন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত। মামলাটি মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত হওয়ায় সকল আসামীদের চার্জ থেকে আইনতঃ অব্যহতি দেওয়ার কথা। আদালত সকল যুক্তি অগ্রাহ্য করে সকলের বিরুদ্ধে চার্জগঠন এবং ২০’অক্টোবর সাক্ষী শুরুর দিনধার্য করেন।

আদালত সংশ্লিষ্ট একাধিকসূত্র জানায় পুলিশকে ব্যবহার করে আওয়ামীলীগ সরকার বিরোধী আন্দোলন দমন করতে চায়। সরকার রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের দ্রুত সাজা দেওয়ার উদ্দেশ্য স্বল্প স্বল্প সময়ের মধ্য সাক্ষীকে আদালতে হাজির করাতে কোটকে ব্যবহার করছে। কোট সংশ্লিষ্টগন জানায় সরকার যেন তেন সাক্ষী শেষ করে দ্রুত রায় দিতে তৎপর।

একতরফা নির্বাচন করার পরিকল্পনার অংশ হিসাবে বিরোধীদলের সক্রিয় নেতাদের সাজা দিয়ে জেলে আটক রাখতে সরকার দৃষ্টিকটুভাবে আইন আদালতকে অপব্যবহার করছে।

সরকারি পরিকল্পনার অংশ হিসাবে সম্প্রতি রাজনৈতিক মামলায় হাজিরার তারিখ ৫/৭ দিন পর পর ধার্য্য করা হচ্ছে। প্রতিদিন হাজিরার নামে আদালতে গণহাজিরার কারনে প্রচন্ডভীর ও গণহয়রানী চলছে।