নিউজ ডেস্ক
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার নিয়ন্ত্রিত বাইরের একটি সংস্থা দ্বারা হত্যার ভিন্ন কৌশল নেয়ার ষড়যন্ত্র করছে এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তায় সরকার প্রধানের অন্তর জ্বালা। তাই গত ২৩ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসাধীন কক্ষে ‘সুজন’ নামে এক যুবকের অনুপ্রবেশের চেষ্টা খালেদা জিয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, যদি রক্ত দিয়ে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে হয়, তাহলে বাংলাদেশের মাটি থেকে আওয়ামী লীগের নাম-নিশানা চিরতরে মুছে দেয়া হবে এবং ইতিহাসের পাতায় আওয়ামী লীগের নাম জাতীয় বিশ্বাসঘাতক হিসেবে লেখা থাকবে। নেতারা অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি দাবি করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন ও বিজয়নগর এলাকায় সরকার পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের দাবীতে ‘অসহযোগ’ আন্দোলনের সমর্থনে গণসংযোগ ও প্রচারপত্র বিতরণকালে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় সরকারিভাবে পুলিশের একটি নিয়মিত কর্তব্যরত ফোর্স হাসপাতালে থাকার পরও এমন ঘটনা জনমনে গভীর উদ্বেগজনক। তবে শেখ হাসিনা সরকার অবৈধ নির্বাচনকে স্থগিত করার ভিন্ন কৌশল খুঁজতে গিয়ে নির্বাচনের ভিন্ন প্রভাব খালেদা জিয়ার ওপর দিয়ে ঢাকতে চায় কিনা এটা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকার প্রধানের পরিণতি কেমন হবে তা সময় বলে দেবে।

