• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

ডান্ডাবেড়ি নিয়েই মায়ের জানাজায় আসা ছাত্রদল নেতা এখন জামিনে মুক্ত

প্রকাশ: রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ৭:৫৯
আপডেট: রবিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ ৭:৫৯

ডান্ডাবেড়ি নিয়েই মায়ের জানাজায় আসা ছাত্রদল নেতা এখন জামিনে মুক্ত

শরীয়তপুর প্রতিনিধি : হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি নিয়েই মায়ের জানাজার নামাজ পড়তে আসা ছাত্রদলের এক কেন্দ্রীয় নেতা মো: সেলিম রেজা এখন জামিনে মুক্ত। গত ৭ র্ফেরুয়ারী জামিনে মুক্তি হয়েছেন তিনি। এর আগে মায়ের মৃত্যুতে কারাগার থেকে প্যারোলে মুক্তি পেলেও জানাজার সময় তাঁর হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি খোলা হয়নি।

২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারী রোববার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে শরীয়তপুর সদর উপজেলার সুজনদোয়াল গ্রামে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর মসজিদের কবরস্থানে তাঁর মাকে দাফন করা হয়। মায়ের দাফনের সময় খোলা হাত-পায়ে কবরে মাটি দিতে পারেননি এ সেলিম রেজা।

ছাত্রদল নেতা সেলিম রেজার জানান, শরীয়তপুর সদর উপজেলার সুজনদোয়াল গ্রামের আনোয়ার হোসেন মুন্সির ছেলে সেলিম রেজা ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক। গত ৭ ডিসেম্বর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে পুলিশ তাঁকে আটক করে। এরপর ১০ ডিসেম্বর পল্টন থানার একটি নাশকতার মামলায় সেলিম রেজাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর পর থেকে তিনি গাজীপুরের কাশিমপুরে কেন্দ্রীয় কারাগারের ছিলেন।

২০২৩ সালের ১৫ জানুয়ারী তার মা নাছিমা বেগম গ্রামের বাড়িতে মারা যান। তার আইনজীবীর মাধ্যমে সেলিম রেজার প্যারোল মুক্তির জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেলিম রেজাকে ১৫ জানুয়ারী বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে ১০ ঘণ্টার জন্য প্যারল মুক্তি দেওয়া হয়।

গাজীপুর জেলা পুলিশ সেলিম রেজাকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পড়িয়ে শরীয়তপুরের সুজনদোয়াল গ্রামে নিয়ে আসে। পরিবারের সদস্য ও স্বজনেরা রাত তিনটার দিকে তাঁর মায়ের দাফন সম্পন্ন করেন। জানাজ ও দাফনের পুরো সময়ে সেলিম রেজাকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখে পুলিশ।

তার আতœীয় মোহাম্মদ হোসেন বলেন, একজন সন্তান রাজনীতি করার অপরাধে হাত–পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর মায়ের জানাজায় অংশ নিতে হয়েছিল। এর চেয়ে দুঃখের আর কষ্টের কী হতে পারে। মায়ের কবরে মাটিও দিতে পারেননি সন্তান।

সেলিম রেজার ভাই শামীম মুন্সি বলেন, সেলিম ঢাকার দনিয়াতে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক। রাজনীতি করে। কোনো নাশকতার সঙ্গে কখনো জড়ায়নি। ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের আগে গণহারে পুলিশ নেতা-কর্মীদের আটক করেছে। সেলিমকেও আটক করে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল। এখন সে জামিনে মুক্ত। মামলা বিচারাধীন।