• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আন্তর্জাতিক

কড়াইশুঁটির কচুরি, মালাই চিংড়ি দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ রাহুলের

প্রকাশ: রবিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৪ ৫:৩৮
আপডেট: রবিবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৪ ৫:৩৮

কড়াইশুঁটির কচুরি, মালাই চিংড়ি দিয়ে মধ্যাহ্নভোজ রাহুলের

নিউজ ডেস্ক
লোকসভা ভোটের আগে দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করতে গত ১৪ জানুয়ারি মণিপুর থেকে ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা ’ শুরু করেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি । মণিপুর, নাগাল্যান্ড, অসম ঘুরে পশ্চিমবঙ্গে পৌঁছায় ওই যাত্রা। ২৫ জানুয়ারি সকালে কোচবিহারে প্রবেশ করেছিল যাত্রা । ওই দিনই বিশেষ কারণে দিল্লি উড়ে যান প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি। আজ সকালেই উত্তরবঙ্গে চলে এসেছেন তিনি। বাগডোগরা বিমান বন্দরে নামার পর রাহুলের গন্তব্য জলপাইগুড়ি। জলপাইগুড়িতে কর্মসূচি শেষে ন্যায় যাত্রার নির্দিষ্ট গাড়ি করে শিলিগুড়ি আসার কথা রয়েছে। থানা মোড় থেকে এয়ারভিউ মোড় অবধি একটি পদযাত্রা হওয়ার কথা রয়েছে। মাঝে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক সংলগ্ন পাহাড়পুর এলাকার খান্ডালা ধাবায় মধ্যাহ্নভোজ সারেন রাহুল। রাহুলের মেনুতে ছিল কড়াইশুঁটির কচুরি ।

কচুরির সঙ্গে আলুর দম । এরপর সাদা ভাতের সঙ্গে মালাই চিংড়ি। শেষ পাতে গাজরের হালুয়া। টিম রাহুলের জন্য খাবার তৈরিতে সকাল থেকেই খুব ব্যস্ততা দেখা গেছে খান্ডালা ধাবার কর্মীদের মধ্যে। হোটেল মালিক প্রলয় নাগ বলছেন, আড়াইশো থেকে তিনশো লোকের খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। খবর এসেছে যে রাহুল গান্ধীর টিমের বাস আটকে দিয়েছে পুলিশ। এই অভিযোগে সরগরম জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর মোড়। অভিযোগ, জলপাইগুড়ি পাহাড়পুর মোড়ে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রার বাস ঢুকতেই আটকে দেয় হয় পুলিশ। এরপর শুরু হয় বচসা। পাশাপাশি রাহুল গান্ধির ফ্লেক্সে ব্লেড চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ধূপগুড়ির পর জলপাইগুড়ি শহরের ডিবিসি রোডে সহ একাধিক জায়গায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। রবিবার রাহুলের ফালাকাটা থেকে যাত্রা শুরু হবে গাড়িতে। ঘটনাচক্রে, ওই দিনই উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পৌঁছবেন কোচবিহারে। রাহুল যখন উত্তরবঙ্গে থাকবেন, তখন তাঁর সঙ্গে থাকবেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী । এই পরিস্থিতিতে মমতা এবং তৃণমূলের অবস্থান কী হয় সেদিকেও নজর রাখছে রাজনৈতিক মহল। কারণ বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় তৃণমূলের নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন বাংলায় জোট না হওয়ার জন্য প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।