জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামলে এই সরকার এক ঘন্টাও টিকতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
শনিবার (১ জুন) ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে খেলাফত মজলিস এর উদ্যোগে জাতীয় সংকট উত্তরণে উপায় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।
দুদু বলেন, লড়াই ছাড়া কোন কিছু অর্জন হয় নাই। আমরা যারা মুসলিম আমাদের ধর্মীয় নেতা হযরত মুহাম্মদ সা: তিনি যা কিছু প্রতিষ্ঠা করেছেন লড়াই করে করেছেন। আমরা যদি ওনার উম্মত হয়ে অনুসারী হই তাহলে ওনার পথ অনুসরণ করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই।
তিনি বলেন, পাকিস্তান কেন ভাগ হয়েছিল? পাকিস্তান থেকে আবার বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। অথচ তাদের (ভারত) সাথে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। এই বাধ্যতার কারণে আমরা এখনো পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রকে মূল্য দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের সর্বস্ব হারানো বলতে যেটা বুঝায় স্বাধীনতা সেটা হারিয়েছি। গণতন্ত্র, অধিকার হারিয়েছে।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, সাবেক সেনাপ্রধান ও সাবেক পুলিশ প্রধানের যে অবস্থা তাহলে তাদের কর্তার কি অবস্থা। এরা যদি এই মাত্রার দুর্নীতিবাজ হয় তাহলে তাদেরকে যারা নিয়োগ করেছে তারা কোন মাত্রার দুর্নীতিবাজ। ভালো লোক ভালো লোককে নিয়ে আসে আর খারাপ লোক আমার ধারণা খারাপ লোককে নিয়ে আসে। বাংলাদেশ বর্তমানের যে অবস্থা এত খারাপ অবস্থা গত ৫২ বছরে আসেনি।
তিনি বলেন, এখানে যারা আছে সবাই রাজপথের লোক। রাজপথে ঐক্য ছাড়া বিকল্প কোন পথ নাই। আমাদের বিএনপি তো বলেই দিয়েছে যারা এই আন্দোলনে থাকবে তারা পরবর্তীকালে সরকারে থাকবে পার্লামেন্টে থাকবে। তাই এই মুসিবতকে না সরালে বাকিটা করা যাবে না। এই সরকারকে সরাতে না পারলে আমাদের জীবদ্দশায় ভালো কিছু দেখে যেতে পারবো না। আর এটা করার জন্য তরুণদের দরকার। হিম্মতওয়ালা লোকদের দরকার। আমার মনে হয় বাংলাদেশের হিম্মতওয়ালা লোকরা অলরেডি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে এই জালিম সরকারের সাথে তারা থাকবে না।
বিএনপি’র এই নেতা বলেন, রাজনীতির দল গুলোকে যেকোনো এক জায়গায় আসতে হবে। আমার ধারণা একসাথে একবার নামলে এই সরকার এক ঘন্টাও টিকে থাকতে পারবে না। তাই আসেন না যেদিন ডাক আসবে অতীতের মত রাস্তায় নেমে যাবো। বিএনপি, খেলাফত মজলিস বা ছোট বড় দল এগুলো বিবেচনায় আনার দরকার নাই।
তিনি বলেন, প্রথম জিনিসটা রাখতে হবে এই জালিম সরকারের সাথে কোন আপোষ হবে না। নির্বাচনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন হবে এটা যদি কেউ মনে করে তাহলে সে বোকার স্বর্গে বাস করছে। মানুষ সিগনাল দিয়ে দিয়েছে তারা নির্বাচনে ভোট দিতে যাবে না তারা আন্দোলনে যাবে। তাই আমাদেরকে প্রস্তুতি নিতে হবে। ডাক আসলেই ঝাপিয়ে পড়তে হবে।
জমিয়াতুল মজলিশ এর মহাসচিব মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এর সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিশের নায়েবে আমির
মাওলানা আহমেদ আলী কাশেমী, সহসাধারণ সম্পাদক হামিদুর রহমান আজাদ,বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, এনডিএমা এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর প্রমুখ।













