জনতার আওয়াজ ডেস্ক
যে’কটি এক্সিট পোল বেরিয়েছে তার সবকটিতেই দেখানো হয়েছে বিজেপি ন্যূনতম ৩০০ আসন পাচ্ছেই। কোনও কোনও সংস্থা দাবি করেছে, বিজেপি ৩৫০ আসনও পেয়ে যাবে। একমাত্র ভোট সমীক্ষক সংস্থা টুডেজ চাণক্যর দাবি, এনডিএ চারশো পার করলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। এর মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ৩৩৫টি আসন। তবে এসব কিছুই মানতে চাইছে না ইন্ডিয়া জোটের নয়াদিল্লি আসনের প্রার্থী আপ বিধায়ক সোমনাথ ভারতী। তার বক্তব্য, ‘মঙ্গলবার সব এক্সিট পোল ভুল প্রমাণিত হবে। তৃতীয়বারের জন্য যদি নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে আমি আমার মাথা ন্যাড়া করবো।’ একই সঙ্গে তার এও দাবি, দিল্লিতে সাতটি আসনই পাবে ইন্ডিয়া জোট। আপ নেতার দাবি, মোদির ভয়ে এক্সিট পোলে দেখানো হয়নি যে তিনি হেরে যাবেন। তাই আমাদের সকলকেই আসল ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ৪ জুন পর্যন্ত। মানুষ বিজেপির বিরুদ্ধে প্রভূত পরিমাণে ভোট দিয়েছে।
একথাও ঠিক, সব বুথফেরত সমীক্ষা সঠিক অনুমান করতে পারে তা নয়। একাধিক সংস্থার বুথফেরত সমীক্ষা ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রে এনডিএ প্রত্যাবর্তন করবে। এবং দিল্লিতেও সাতটির সাতটিই হয়তো জিতবে বিজেপি। কেউ কেউ গেরুয়া শিবিরকে অন্তত ৬টি আসনে জয়ী দেখছে। সব মিলিয়ে দিল্লিতে পদ্ম ঝড় যে হবে তা সব এক্সিট পোলই দাবি করেছে। মনে করা হচ্ছে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়াল-সহ একাধিক আপ শীর্ষ নেতার গ্রেপ্তারি ব্যাকফুটে পাঠিয়েছে বিরোধী শিবিরকে। যদিও বুথফেরত সমীক্ষা থেকে জনমতের একটা আভাস অবশ্যই পাওয়া যায়। তা থেকে ভোট শতাংশের ট্রেন্ড মোটামুটি ভাবে আন্দাজ করা সম্ভব। তবে ভোট শতাংশ থেকে আসন সংখ্যা বের করার প্রক্রিয়া জটিল। সেখানেই অনেক সময়ে ত্রুটি থেকে যায়।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

