সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৩ আগস্ট ২০২৪ শুক্রবার বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এড সাইফুল ইসলাম সেকুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল-আমিন এক যৌথ বিবৃতিতে রাস্ট্রীয় মানবাধিকার সংস্থা জাতীয় মানবাধিকার কমিশন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে না।নিজেরা তদন্ত করে কোন প্রতিবেদনে দাখিল করতে পারেনা।মানুষদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে সংস্থার সৃস্টি হয়েছে তাদের অধিকার আইন দ্বারা সংকোচন করা হয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯ এর ১৮ ধারার সীমাবদ্ধতার কারণে কমিশন এক্ষেত্রে নিজে তদন্ত করতে পারে না। শুধু সরকারের দেওয়া প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করতে হয়। আইনের এই সীমাবদ্ধতা কমিশনকে অনেকটা অসহায় অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয় যার আশু সংস্কার প্রয়োজন মর্মে কমিশন ও বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতি মনে করে।নেতৃবৃন্দ আরো বলেন,আয়নাঘর এর তথ্য চেয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে। আমরা মনে করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,জাতীয় মানবাধিকার কমিশন,বাংলাদেশে যারা মানবাধিকার নিয়ে কাজ করছেন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিদের দিয়ে একটি নিরপেক্ষ কমিশন গঠন করে আয়নাঘর,বিডিআর হত্যা,হেফাজত এর হত্যা,সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা এবং ২৪ গণ হত্যাসহ সকল হত্যাকান্ডের সঠিক তথ্য তুলে এনে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বন্যায় কবলিত সকল অসহায় মানুষের পাশে দেশবাসীসহ প্রবাসীদের দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানান।

