চট্রগ্রাম প্রতিনিধি
গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক গুম বিরোধী দিবসে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার চট্টগ্রাম ও মায়ের ডাক যৌথ নেটওয়ার্কের এক মানববন্ধন গত ৩০ আগস্ট চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়।
এখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আমির আব্বাস। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারি বাহিনীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপরাধ সংঘটিত করেছে র্যাব এবং ডিবি। দুটি বাহিনী গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ডের মধ্যে দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধ সংগঠিত করেছে। শীঘ্রই এই দুটি বাহিনীকে বিলুপ্তের দাবি জানাচ্ছি। গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সনদে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অনুস্বাক্ষর করেছে। পাশাপাশি গুমের অপরাধের তদন্তের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। নিশ্চয় এটা ভালো দিক।
পাশাপাশি সরকারি বাহিনী কর্তৃক যত ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন, ক্রসফায়ার সংঘটিত করেছে, সকল হত্যার বিচার দাবি জানানো হয় এ মানববন্ধনে, বিশেষ করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে দমাতে গিয়ে পুলিশ যে হত্যাকান্ড সংগঠিত করেছে, ১৯৭২ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের ট্রাইব্যুনালকে নতুনভাবে সাজিয়ে এসব অপরাধের বিচার করার দাবিও জানানো হয়।
ভিকটিম পরিবারের সদস্যারা এ সময় তাদের সেই দুঃসাহ স্মৃতিকথা তুলে ধরে কান্নাকাটি করে বক্তব্য দেন। জিয়া উদ্দিনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির মো. কামাল উদ্দিন, বৈষম্যরোধে সংস্কার কমিটির হাবিবুর রহমান হাবিব, এস টিভির ব্যুরোচীফ সোহাগ কুমার বিশ্বাস। সাংবাদিক এস এম পিন্টু, মানবাধিকার কর্মী মো. সাজ্জাদ উদ্দিন, শিক্ষা সংস্করণ আন্দোলনের নুর মো. তালুকদার, ইতিহাস চর্চার কেন্দ্রের মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, সাবেক কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, মানবাধিকার কর্মী অধিকারের স্টেটমেন্ট পাঠ করেন মানজয় কর্মী মীর বরকত হোসেন।
এছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক কামাল পারভেজ, আব্দুল মজুমদার, ওসমান জাহাঙ্গীর, ইমরান সোহেল, অভিলাষ মাহমুদ, জহিরুল ইসলাম, জানে আলম, রুহুল আমিন, গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হোসনে আরা বেগম, মোহাম্মদ বাদশা, মান্নান, চম্পা বেগম।

