• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ নিয়ে কলকাতায় প্রচারিত অধিকাংশ খবর অতিরঞ্জিত ও মনগড়া: ভারতীয় সাংবাদিক

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ ১০:৪৬
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ ১০:৪৬

বাংলাদেশ নিয়ে কলকাতায় প্রচারিত অধিকাংশ খবর অতিরঞ্জিত ও মনগড়া: ভারতীয় সাংবাদিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার তোপের মুখে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই ভারতের কলকাতার কিছু গণমাধ্যম বাংলাদেশ ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ে নানা অপতথ্য ও গুজব ছড়াতে থাকে। তবে কলকাতা থেকে প্রকাশিত সেই সংবাদগুলোর বেশীরভাগই যে গুজব ও অতিরঞ্জিত সেটি স্কীকার করেন অনেক ভারতীয়রা। এবার তাদের ছড়ানো এসব সংবাদ যে গুজব তার সত্যতা পাওয়া গেল কলকাতার এক সাংবাদিকের লেখায়।

কলকাতার জনপ্রিয় পত্রিকা ‘সংবাদ প্রতিদিন’ এর ডেপুটি নিউজ এডিটর শীর্ষেন্দু চক্রবর্তী সম্প্রতি বাংলাদেশ ভ্রমণ করেছেন। তার কয়েকদিনের বাংলাদেশ ভ্রমণে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। ভ্রমণ শেষে কলকাতায় ফিরে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে লিখেন, বেঁচে আছি। সুস্থ আছি। অক্ষত আছি। শরীরে বিন্দুমাত্র কোনও আঘাত লাগেনি। বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় ফিরে এই কথাগুলো মনে হয় এবার বলার সময় হয়েছে। তাই বললাম। কারণ, সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত বা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশ সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখা মানুষজন আমার বাংলাদেশ সফরের কথা শুনেই রে রে করে উঠেছিলেন।’

পরিচিত, বন্ধু, সিনিয়র সাংবাদিকদের কাছ থেকে একের পর এক আতঙ্কবাণী পেতে শুরু করেছিলেন- উল্লেখ করে শীর্ষেন্দু চক্রবর্তী লিখেছেন, ‘বিষয়টা এমনভাবে আমার সামনে তুলে ধরা হয়েছিল, যেন আমি আগুনের মধ্যে ঝাঁপ দিচ্ছি। নরকে যাচ্ছি। বাংলাদেশ সম্পর্কে যাঁরা খোঁজখবর রাখেন বলে তথাকথিতভাবে দাবি করে থাকেন, তাঁদের কাছ থেকে গুচ্ছ গুচ্ছ এমন আতঙ্কবাণী পেয়ে একটু ভয় করেনি তা নয়। তাও মনের সাহস নিয়ে এগিয়ে যাই।

গোটা ঢাকা কমবেশি চষে ফেলার পর আজ বলতে ইচ্ছা করছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে যা প্রচার করা হচ্ছে তার অধিকাংশই অতিরঞ্জিত। রাত্রি এগারোটা-সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত ঢাকা শহরে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়িয়েছি। সবার সঙ্গে কথা বলেছি। হ্যাঁ, এটা ঠিক একটা চাপা টেনশন অবশ্যই আছে। মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত অবশ্যই হয়েছে। কিন্তু, তা বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে (বিশেষ করে একটি আগুন ছোটা চ্যানেলে) যা তুলে ধরা হচ্ছে তা সত্যিই ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রেই মনগড়া গল্পকথা তুলে ধরা হচ্ছে বারবার।