• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

দুই বছর হুমকি দিয়ে আসছে, আজকে আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে

প্রকাশ: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ৭:০৫
আপডেট: রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫ ৭:০৫

দুই বছর হুমকি দিয়ে আসছে, আজকে আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে

কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি
ছবি:প্রতিনিধি
কুমিল্লার হোমনায় জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে জেঠাতো ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে চাচাতো ভাই। রোববার (২৪ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মাথাভাঙ্গা ইউনিয়নের ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের মন্দিরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর নিহতের স্ত্রী আহাজারি করে বলেন- দুই বছর আগে থেকেই হুমকি দিয়ে আসছে, আজকে তারাই আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে।

নিহত রফিকুল ইসলাম (৫৫) ছয়ফুল্লাকান্দি গ্রামের মৃত চুনু মিয়ার ছেলে।

হোমনা থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে।

নিহতের স্ত্রী রাশেদা আক্তার বলেন, সকালে আমার স্বামী ডাক্তারের কাছে যাচ্ছিল, রাস্তায় একা পেয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে অলেক মবিন, আবুল, আমজাদ, আমির আলী, কইম্মা, রুলামিন, আলআমিন ও ময়না আক্তার আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে।

তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে থেকেই আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে, আজকে তারাই আমার স্বামীকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। কয়েক দিন আগেও তারা আমার বাড়িতে এসে দশ লাখ টাকা চায়, টাকা না দিলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়। বিষয়টি আমার স্বামী পুলিশকে জানিয়ে ছিলেন।

এদিকে রফিকুল ইসলামের আর্তচিৎকার শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এলে হত্যাকারীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। অলেক মিয়া নামের একজনকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানান, জায়গার বিরোধ নিয়ে এমন নির্মমভাবে একজন মানুষকে দিনের বেলা কুপিয়ে মেরে ফেলবে এটা খুবই দুঃখজনক। এ হত্যার সঙ্গে যারাই জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং হত্যাকারী অলেক মিয়াকে আটক করে থানায় এনে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও যারা জড়িত আছে তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।