• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

জাতীয়

জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগে উপদেষ্টাদের নিয়ে বৈঠকে বসলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ২:২০
আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ২:২০

জাতির উদ্দেশে ভাষণের আগে উপদেষ্টাদের নিয়ে বৈঠকে বসলেন প্রধান উপদেষ্টা

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকের মূল বিষয় ছিল জুলাই জাতীয় সনদ বা সংবিধান সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের কার্যক্রম ও পদ্ধতি।

বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারক উপস্থিত ছিলেন। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এবং উপদেষ্টাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন কিভাবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়।

বৈঠকের পর দুপুরে অধ্যাপক ইউনূস জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। এই ভাষণকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এতে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার প্রস্তাব এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বিটিভি নিউজ ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গত ২৮ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারকে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের দুটি বিকল্প সুপারিশ জমা দিয়েছে। একটি বিকল্পে বলা হয়েছে সংবিধান-সংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য বিশেষ আদেশ জারি করা হবে এবং এর ভিত্তিতে গণভোট আয়োজন করা হবে। গণভোটে প্রস্তাব পাস হলে আগামী সংসদ ২৭০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে প্রস্তাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে যুক্ত হবে।

অন্য বিকল্পে ২৭০ দিনের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ করার নির্দেশ থাকলেও ব্যর্থ হলে পরবর্তী পদক্ষেপ উল্লেখ নেই। গণভোটের তারিখ নির্ধারণের দায়িত্ব সরকারকে দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আগে থেকেই মতপার্থক্য ছিল। কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়ার পর তা আরও তীব্রভাবে সামনে আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে সমন্বিত দিকনির্দেশনা দিতে আহ্বান জানানো হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসে নি। ফলে এখন সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব সরকারের ওপরই এসেছে।

বৈঠক ও ভাষণের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে সংবিধান সংস্কারের পদ্ধতি নিয়ে সাধারণ জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে তথ্য দেওয়া এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।