• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

সারাদেশ

কোটালীপাড়ায় যুবলীগ নেতার যুবদলে যোগদান

প্রকাশ: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:২৮
আপডেট: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:২৮

9658745 2

কোটালীপাড়ায় যুবলীগ নেতার যুবদলে যোগদান

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
কোটালীপাড়ায় যুবলীগ নেতার যুবদলে যোগকোটালীপাড়ার যুবলীগ নেতা মো. মুকুল খন্দকার যুবদলে যোগদান করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মুকুল খন্দকার পদত্যাগ করেই যুবদলের যোগদান করেছেন।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার ভাঙ্গারহাট বাজারে বসে তিনি যুবলীগ থেকে পদত্যাগ করে যুবদলে যোগদান করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রঞ্জন মল্লিক, সদস্য সচিব মান্নান শেখ, রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির ফকির, রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাসান ফকিরসহ ইউনিয়ন বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

মো. মুকুল খন্দকার লিখিত বক্তব্যে বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত রাধাগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। কিন্তু আওয়ামী রাজনীতির আদর্শের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত আদর্শের মিল না থাকায় আমি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ ও সব ধরণের আওয়ামী লীগের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি নিলাম।

তিনি আরও বলেন, সেই সঙ্গে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রণিত হয়ে যুবদলে যোগদান ও তাদের সব রাজনীতির কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করার ঘোষণা দিচ্ছি।

খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা, পাবেন বিশেষ নিরাপত্তা
দেশ রূপান্তর অনলাইন
প্রকাশ : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৯ পিএম আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৯ পিএম
https://www.deshrupantor.com/643102
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স নিয়োগ দেবে সরকার। বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) আইন, ২০২১ এর ধারা ২(ক)-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে তাকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এতে খালেদা জিয়া এবং তার পরিবারের সদস্যরা এসএসএফের বিশেষ নিরাপত্তা পাবেন। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) আইন, ২০২১ এর ধারা ২(ক)-এ প্রদত্তক্ষমতাবলে, সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসাবে ঘোষণা করা হলো। ইহা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

বার্ধক্যজনিত নানান জটিলতায় গত কয়েকদিন থেকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খালেদা জিয়া। তার অসুস্থতার খবরে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাচ্ছেন। হাসপাতালের সামনে পুলিশ মোতায়েন থাকলেও এতে নিরাপত্তা বিঘিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া এক অনন্য মহীয়সী নারী, যাঁর জীবন সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্ব জাতীয় ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে রাজনীতির প্রতিটি পরতে তাঁর উপস্থিতি এক সাহসী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ নেতৃত্বের ইতিহাস রচনা করেছে।
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে তিনি প্রথমে রাজনীতিতে প্রবেশ করলেও, স্বামীর শাহাদাতের পর তিনি সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামেন এবং বিএনপির নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
গণতন্ত্রের সংগ্রামে নেতৃত্ব শুরু কিভাবে হয়েছে তা কারো অজানা নয়, তাও সংক্ষেপে উল্লেখ করে আমার কিছু কথা –
১৯৮৬ সালের নির্বাচন: সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এই নির্বাচন। খালেদা জিয়া তখনও নতুন নেতা, কিন্তু তাঁর দৃঢ়তাই বিএনপিকে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলে পরিণত করে।
১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান: এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আন্দোলনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা ছিল নির্ধারক। তাঁর নেতৃত্বেই বিএনপি ১৯৯১ সালে সরকার গঠন করতে পেরেছিল।
বালুর ট্রাক দিয়ে অবরুদ্ধ জীবন: বালুর ট্রাক দিয়ে তাঁর বাসভবন অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। মাসের পর মাস এই অবরোধ তাঁকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তিনি দমে যাননি।
খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনে তিনি অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন, মোকাবেলা করেছেন শত শত ষড়যন্ত্র। ২০০৭-২০০৮ সালে জরুরি অবস্থার সময় তাঁকে দীর্ঘদিন কারারুদ্ধ করে রাখা হয়। এমনকি তাঁর দলকে ভাঙারও চেষ্টা করা হয়, কিন্তু তাঁর নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তা দলের মধ্যে এমন শিকড় গেড়েছিল যে কেউই বিএনপিকে তাঁর নেতৃত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি।
তার দেশপ্রেম ও ত্যাগের অনন্য উদাহরণ ২০০৮ সালের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: যখন তিনি লন্ডনে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখনই ২০০৮ সালের নির্বাচন আসন্ন। তাঁকে বলা হয়েছিল, দেশে ফিরলে জেল হতে পারে। তবুও তিনি সুটকেস গুছিয়ে না থেকে দেশে ফিরে আসেন-মৃত্যু ও কারাবরণ জেনেও। এটি ছিল দেশপ্রেমের এক অনন্য উদাহরণ।
সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছিল ২০০৩ সালের বেনিন দুর্ঘটনায়: বিমান দুর্ঘটনায় কয়েকজন সামরিক অফিসার নিহত হন। যখন তাদের মরদেহ ফিরিয়ে আনা হয়, খালেদা জিয়াকে বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে কাঁদতে দেখা যায়-একটি বিরল প্রকাশ্য আবেগের বহিঃপ্রকাশ যা সেনাবাহিনীর সাথে তাঁর গভীর সংযোগ প্রকাশ করে।
২০০৯ সালের বিডিআর হত্যাকাণ্ড: এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে মর্মান্তিক ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি। কর্নেল এলাহী, কর্নেল গুলজার, কর্নেল মুজিব এবং অন্যান্য অফিসারদের মরদেহ যখন ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হয়, একটি হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
মসজিদের এক কোণে, নারীদের ভিড়ের মধ্যে, বেগম খালেদা জিয়া অতি আবেগতাড়িত হয়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলেন। তাঁর ফর্সা মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল এবং তিনি একটি রুমাল দিয়ে ক্রমাগত তাঁর চোখের পানি মুছছিলেন। লোকজন তাঁকে সান্ত্বনা দিতে চেষ্টা করছিলেন, কিন্তু তিনি নিজের সন্তানদের শোকার্ত এক মায়ের মতোই কাঁদতে থাকেন।
এমনকি তাঁর প্রিয় পুত্র কোকোর মৃত্যুতে অথবা তাঁর স্বামীর শাহাদাত বরণের সময়ও তিনি কখনো এভাবে জনসমক্ষে কাঁদেননি। এটি প্রকাশ করেছিল যে সেনা অফিসারদের জন্য তাঁর ভালোবাসা কতটা গভীর ছিল-তাঁরা তাঁর নিজের সন্তানের মতোই ছিলেন।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশকে কত গভীরভাবে ধারণ করে তা পরিষ্কার বুঝা যায় যখন তিনি বলেন “বাংলাদেশ আমার ঠিকানা”। আমরা তিনটি শব্দকে হয়ত একটি রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে দেখি, কিন্তু আমি মনে করি -এই তিনটি শব্দের মাধ‍্যমে তিনি তাঁর জীবনদর্শন তুলে ধরেছেন।
আজ তিনি গুরুতর অসুস্থ, আল্লাহর দরবারে আমরা হাত উঠাই-যেন তাঁকে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলেন।
আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি–সারা জীবনে বাংলাদেশের মাত্র দুইজন ব্যক্তিকে আমি হৃদয় দিয়ে ভালোবেসেছি-একজন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যিনি দেশকে মুক্তিযুদ্ধের পথে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন; অন্যজন বেগম খালেদা জিয়া, যিনি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার চেতনা বাঁচিয়ে রাখার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে চলেছেন।
অনেক নেতা-নেত্রী আসবেন এবং যাবেন, কিন্তু খালেদা জিয়ার মতো এতটা শক্তিশালী, ধৈর্যশীল ও ত্যাগী নেত্রী বাংলাদেশ আর কখনো দেখেনি, দেখবেও না।
তাই তাঁর সম্পর্কে আমি এই একটি কথাই বলতে পারি, খালেদা জিয়াই বাংলাদেশ। তিনি শুধু একজন নেত্রী নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠান, একটি ইতিহাস, একজন জীবন্ত কিংবদন্তি।


সর্বশেষ সংবাদ

 

রাজনীতি-এর আরও সংবাদ


সম্পাদক: আব্দুল আজিজ

উপদেষ্টা সম্পাদক: সায়েক এম রহমান
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: রাশেদুর রহমান (রকেস )
পরিচালক: মোঃ দেলোয়ার হোসেন আহাদ

ইংলান্ড অফিস: 13 Wimpole Court, Wimpole Street, Portsmouth, PO1 1QT, United Kingdom
বাংলাদেশ অফিস: রুম-১৪০৫ (লিফট-১৩), শাহ আলি প্লাজা, মিরপুর ১০, ঢাকা-১২১৬
ই-মেইল: sheershakhoboronline@gmail.com


WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com