• যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত
  • জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  • sheershakhoboronline@gmail.com

রাজনীতি

এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে

প্রকাশ: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৪:১২
আপডেট: রবিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ৪:১২

এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা বিকেলে

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও গণ অধিকার পরিষদকে নিয়ে চার দলের সমন্বয়ে একটি নির্বাচনী জোট গঠনের আলোচনা চলছিল গত দুই সপ্তাহ ধরে। তবে শেষ পর্যন্ত এই জোটে থাকছে না গণ অধিকার পরিষদ। এনসিপি, এবি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এই তিন দল নিয়ে নতুন জোট গঠনের ঘোষণা আসছে আজ রবিবার।

আজ বিকেল চারটায় রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে। দলগুলোর পক্ষ থেকে এই জোটকে বলা হচ্ছে, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অঙ্গীকার রক্ষা ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণে আগ্রহীদের রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্য’।

দুপুর ১২টার দিকে এনসিপির মিডিয়া সেলের সম্পাদক মুশফিক উস সালেহীন সাংবাদিকদের জানান, আজ বিকেল চারটায় ডিআরইউতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ঐক্যের ঘোষণা দেওয়া হবে। এতে এনসিপি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও এবি পার্টির নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

এবি পার্টির একটি সূত্রও এই সংবাদ সম্মেলন ও জোট গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে তারা জানিয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে তিনটি দলের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দলের নেতারাও উপস্থিত থাকতে পারেন।

এর আগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বাইরে এনসিপি, এবি পার্টি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও গণ অধিকার পরিষদকে নিয়ে একটি পৃথক নির্বাচনী জোটের আলোচনা সামনে আসে গত মাসের শেষ সপ্তাহে। সেই অনুযায়ী (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে জোটের আত্মপ্রকাশ হওয়ার কথা ছিল।

তার আগের দিন গভীর রাত পর্যন্ত এনসিপি, এবি পার্টি, গণ অধিকার পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা ঢাকার বাংলামোটরের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে বৈঠকে বসেন।

ওই বৈঠকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতাদের একাংশের উদ্যোগে গঠিত রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম আপ বাংলাদেশকে এই জোটে রাখার প্রশ্নে এনসিপির নেতারা তীব্র আপত্তি তোলেন। পাশাপাশি গণ অধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতাদের মধ্যেও জোটে অংশ নেওয়া নিয়ে মতভেদ দেখা দেয়। এসব কারণে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ওই দিনের বৈঠক শেষ হয়। এরপর থেকেই জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।